২৮ মার্চ ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গা জেলায় সংঘটিত এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পুলিশ ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। ভিকটিমের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়, যা স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর থানাধীন সাতগাড়ী এলাকার বাসিন্দা কবিতা (৩০) কৌশলে ভিকটিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। পূর্ব পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে সে ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে প্রলুব্ধ করে বাইরে নিয়ে যায়। ঘটনার দিন কবিতা ভিকটিমকে সঙ্গে নিয়ে ইজিবাইকে করে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারে যায়।
সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিল কবিতার খালাতো ভাই সালাম। ফোনের মাধ্যমে তাকে ডেকে এনে তারা অন্য একটি ইজিবাইকে ওঠে এবং ঘোরার অজুহাতে চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সড়কের দিকে রওনা দেয়। পরে তারা আলমডাঙ্গা থানাধীন খাদিমপুর এলাকার একটি নির্জন স্থানে পৌঁছায়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ইজিবাইক থামিয়ে চালককে বিদায় করা হয়। এরপর আসামীরা সম্মিলিতভাবে ভিকটিমকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জিম্মি করে একটি আমবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে ভিকটিমকে জোরপূর্বক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর আসামীরা ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বলে। পরে তারা ভিকটিমকে আবার বড়বাজার এলাকায় নামিয়ে দেয়। বাড়িতে ফিরে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তার স্বামী বিষয়টি জানতে চান। একপর্যায়ে ভিকটিম পুরো ঘটনা স্বামীর কাছে খুলে বলেন।
পরবর্তীতে ভিকটিম বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান তাৎক্ষণিকভাবে জড়িতদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়।
এই টিমে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) অনুপ দাস এবং আলমডাঙ্গা থানার পাঁচকমলাপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আহম্মদ আলীসহ অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন। তারা নিরবিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামীদের অবস্থান শনাক্ত করেন।
অবশেষে ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ ভোর ৪টার দিকে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৬ জন আসামীকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন— মিজান (৩৪), সামাদ আলী (২৫), আদম (৩৪), শাহজাহান (৪৫), আব্দুস সালাম (২৬) এবং কবিতা (৩০)। তারা সকলেই চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।পুলিশ মিডিয়া সেল,
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গা জেলায় সংঘটিত এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পুলিশ ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। ভিকটিমের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়, যা স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর থানাধীন সাতগাড়ী এলাকার বাসিন্দা কবিতা (৩০) কৌশলে ভিকটিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। পূর্ব পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে সে ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে প্রলুব্ধ করে বাইরে নিয়ে যায়। ঘটনার দিন কবিতা ভিকটিমকে সঙ্গে নিয়ে ইজিবাইকে করে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারে যায়।
সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিল কবিতার খালাতো ভাই সালাম। ফোনের মাধ্যমে তাকে ডেকে এনে তারা অন্য একটি ইজিবাইকে ওঠে এবং ঘোরার অজুহাতে চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সড়কের দিকে রওনা দেয়। পরে তারা আলমডাঙ্গা থানাধীন খাদিমপুর এলাকার একটি নির্জন স্থানে পৌঁছায়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ইজিবাইক থামিয়ে চালককে বিদায় করা হয়। এরপর আসামীরা সম্মিলিতভাবে ভিকটিমকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জিম্মি করে একটি আমবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে ভিকটিমকে জোরপূর্বক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর আসামীরা ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বলে। পরে তারা ভিকটিমকে আবার বড়বাজার এলাকায় নামিয়ে দেয়। বাড়িতে ফিরে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তার স্বামী বিষয়টি জানতে চান। একপর্যায়ে ভিকটিম পুরো ঘটনা স্বামীর কাছে খুলে বলেন।
পরবর্তীতে ভিকটিম বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান তাৎক্ষণিকভাবে জড়িতদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়।
এই টিমে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) অনুপ দাস এবং আলমডাঙ্গা থানার পাঁচকমলাপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আহম্মদ আলীসহ অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন। তারা নিরবিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামীদের অবস্থান শনাক্ত করেন।
অবশেষে ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ ভোর ৪টার দিকে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৬ জন আসামীকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন— মিজান (৩৪), সামাদ আলী (২৫), আদম (৩৪), শাহজাহান (৪৫), আব্দুস সালাম (২৬) এবং কবিতা (৩০)। তারা সকলেই চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।পুলিশ মিডিয়া সেল,