টেলিগ্রামে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া বিনিয়োগ গ্রুপ খুলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে পৃথক দুই মামলায় আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
পল্টন থানার একটি মামলার তদন্তে সিআইডির ঢাকা মেট্রো পূর্ব বিভাগের একটি আভিযানিক দল গত ২২ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানাধীন ডক শিপইয়ার্ড এলাকা থেকে মো. ইমরান (৩২) ও মো. ফাহিম (২৪) কে গ্রেফতার করে। তদন্তে জানা যায়, ফাহিমের ব্যাংক হিসাবে ভুক্তভোগী দুই দফায় প্রায় ৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, পৃথক আরেক মামলায় একই দিনে ডিএমপির মিরপুরের পাইকপাড়া এলাকা থেকে আসাদুজ্জামান রাব্বি (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়।
তদন্তে উঠে এসেছে, প্রতারক চক্রটি টেলিগ্রাম অ্যাপে বিদেশি বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্মের নামে ভুয়া গ্রুপ খুলে দ্রুত লাভের প্রলোভন দেখাত। গ্রুপে আগে থেকেই থাকা সহযোগীরা ভুয়া লাভের পোস্ট দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করত। পরে ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে বলা হতো।
সিআইডি জানায়, প্রতারণার অর্থ ক্যাশ আউট করতে মূলহোতা ফারদিন আহমেদ গাড়ি কেনাবেচার মাধ্যমে অর্থ নগদে রূপান্তর করত। এছাড়া গ্রেফতারকৃতদের মোবাইল ফোনে নিষিদ্ধ ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের আদালতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
সিআইডি জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তথ্যসূত্র: সিআইডি মিডিয়া সেল
পল্টন থানার একটি মামলার তদন্তে সিআইডির ঢাকা মেট্রো পূর্ব বিভাগের একটি আভিযানিক দল গত ২২ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানাধীন ডক শিপইয়ার্ড এলাকা থেকে মো. ইমরান (৩২) ও মো. ফাহিম (২৪) কে গ্রেফতার করে। তদন্তে জানা যায়, ফাহিমের ব্যাংক হিসাবে ভুক্তভোগী দুই দফায় প্রায় ৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, পৃথক আরেক মামলায় একই দিনে ডিএমপির মিরপুরের পাইকপাড়া এলাকা থেকে আসাদুজ্জামান রাব্বি (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়।
তদন্তে উঠে এসেছে, প্রতারক চক্রটি টেলিগ্রাম অ্যাপে বিদেশি বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্মের নামে ভুয়া গ্রুপ খুলে দ্রুত লাভের প্রলোভন দেখাত। গ্রুপে আগে থেকেই থাকা সহযোগীরা ভুয়া লাভের পোস্ট দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করত। পরে ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে বলা হতো।
সিআইডি জানায়, প্রতারণার অর্থ ক্যাশ আউট করতে মূলহোতা ফারদিন আহমেদ গাড়ি কেনাবেচার মাধ্যমে অর্থ নগদে রূপান্তর করত। এছাড়া গ্রেফতারকৃতদের মোবাইল ফোনে নিষিদ্ধ ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের আদালতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
সিআইডি জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তথ্যসূত্র: সিআইডি মিডিয়া সেল