অনেক সংক্রামক রোগ হাঁচি-কাশি বা মুখের লালার মাধ্যমে ছড়ায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে—এই ধরনের রোগ টুথব্রাশের মাধ্যমেও কি ছড়াতে পারে? আর ঠান্ডা-কাশির মতো সংক্রমণ হলে কি টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত?
টুথব্রাশ জীবাণু ছড়ায় কি?
স্বাভাবিকভাবে আমাদের মুখ ও শরীরে কিছু উপকারী জীবাণু থাকে, যাদের বলা হয় 'নরমাল ফ্লোরা'। এরা সাধারণত আমাদের ক্ষতি করে না, বরং অন্য ক্ষতিকর জীবাণুর আক্রমণ ঠেকাতে সাহায্য করে। তবে একজনের নরমাল ফ্লোরা অন্য কারও শরীরে গেলে সংক্রমণ ঘটতে পারে। টুথব্রাশ ব্যবহারের পর ধুয়ে রাখলেও এতে মুখের জীবাণু রয়ে যেতে পারে। তাই একজনের টুথব্রাশ থেকে অন্যজনের মধ্যে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষজ্ঞরাও এই বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
নিজের শরীরে জীবাণু ফেরত আসবে?
অনেকেই মনে করেন, একবার অসুস্থ হওয়ার পর পুরনো টুথব্রাশ ব্যবহার করলে সেই জীবাণু আবার শরীরে ফিরে আসতে পারে। তবে বিজ্ঞান বলছে, শরীর একবার কোনো জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করলে সাধারণত সেই জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। তাই নিজের পুরনো জীবাণু দিয়ে নিজেই আবার সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। তবে যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম—যেমন শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠ, ডায়াবেটিস রোগী, কিডনির দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বা স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ সেবনকারী—তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থেকেই যায়। এই ধরনের মানুষদের ক্ষেত্রে অসুস্থতা সেরে ওঠার পর টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত।
যত্নে থাকুক টুথব্রাশ
টুথব্রাশ জীবাণু ছড়ায় কি?
স্বাভাবিকভাবে আমাদের মুখ ও শরীরে কিছু উপকারী জীবাণু থাকে, যাদের বলা হয় 'নরমাল ফ্লোরা'। এরা সাধারণত আমাদের ক্ষতি করে না, বরং অন্য ক্ষতিকর জীবাণুর আক্রমণ ঠেকাতে সাহায্য করে। তবে একজনের নরমাল ফ্লোরা অন্য কারও শরীরে গেলে সংক্রমণ ঘটতে পারে। টুথব্রাশ ব্যবহারের পর ধুয়ে রাখলেও এতে মুখের জীবাণু রয়ে যেতে পারে। তাই একজনের টুথব্রাশ থেকে অন্যজনের মধ্যে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষজ্ঞরাও এই বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
নিজের শরীরে জীবাণু ফেরত আসবে?
অনেকেই মনে করেন, একবার অসুস্থ হওয়ার পর পুরনো টুথব্রাশ ব্যবহার করলে সেই জীবাণু আবার শরীরে ফিরে আসতে পারে। তবে বিজ্ঞান বলছে, শরীর একবার কোনো জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করলে সাধারণত সেই জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। তাই নিজের পুরনো জীবাণু দিয়ে নিজেই আবার সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। তবে যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম—যেমন শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠ, ডায়াবেটিস রোগী, কিডনির দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বা স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ সেবনকারী—তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থেকেই যায়। এই ধরনের মানুষদের ক্ষেত্রে অসুস্থতা সেরে ওঠার পর টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত।
যত্নে থাকুক টুথব্রাশ