• রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৫:১৪ অপরাহ্ন

ঢাকায় দুই অস্ত্র দিয়ে অজ্ঞান, সর্বস্ব হারাচ্ছেন অনেকেই

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১
  • ৩০

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ
হকার সেজে গণপরিবহনে বিশেষ হালুয়া, আচার কিংবা কোমল পানীয় নিয়ে হাজির হয় তারা। পাশের সিটের সহযাত্রীর দেখাদেখি তাদের কাছ থেকে সেই খাবার কিনে খাওয়ার পর নিজেকে আবিষ্কার করতে পারেন হাসপাতালের বিছানায়। অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব খুইয়ে অঙ্গহানির ঘটনাও ঘটতে পারে।
ঢাকায় দুই অস্ত্র দিয়ে অজ্ঞান, সর্বস্ব হারাচ্ছেন অনেকেই

প্রতি বছরের মতো এবারও টার্গেট ঘরমুখো মানুষ এবং কোরবানির পশুর হাটে আগত ক্রেতা বিক্রেতা। মূল অস্ত্র বিশেষ ধরনের হালুয়া ও মলম। কখনো যাত্রী সেজে, কখনো হকার বেশে ঘুরে বেড়ায়। সুযোগ পেলেই চেতনানাশক ওষুধ কিংবা মলম ও স্প্রে ব্যবহার করে সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয় তারা।

ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীতে সক্রিয় অজ্ঞান ও মলম পার্টির কয়েকটি চক্র। একটি চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ বলছে, বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও পশুর হাটে তৎপর এই পার্টির সদস্যরা।
সারা বছর এই পার্টির তৎপরতা অল্প বিস্তর চোখে পড়লেও ঈদ সামনে রেখে রাজধানীতে সজাগ হয়ে ওঠে তারা। এ রকম একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ বলছে, এরা পেশাদার মলম পার্টির সদস্য। বিভিন্ন সময় একই অভিযোগে আগেও গ্রেপ্তার হয়েছে তারা। জামিনে বের হয়ে আবারও শুরু করে একই কাজ। সবার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মামলা। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চেতনানাশক ওষুধ, স্প্রে ও মলমের কৌটা।

পুলিশ বলছে, এরা মলম পার্টির পাশাপাশি কখনো কখনো টানা পার্টির হয়েও কাজ করে। তারা যখন যেটা পায় সেটাই ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
ঈদে ঘরমুখো মানুষ ও কোরবানির পশুর হাটে আগত ক্রেতা বিক্রেতারা টার্গেট ছিল তাদের। সদরঘাট, গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী বাস টার্মিনাল, কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকায় রয়েছে মলম পার্টির কয়েকটি দল।

রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এইচ এম আজিমুল হক বলেন, এখন গরুর বাজার তাদের প্রধান টার্গেট, কারন সেখানে প্রচুর টাকা-পয়সার লেনদেন করে। কেনাবেচার এই সুযোগটা তারা নিতে চায়।
তাই বাস, লঞ্চ, ট্রেনে হকারদের কাছ থেকে খাবার কিনে খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ পুলিশের।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..