• রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন

রাজধানীতে ক্রমেই ভয়ংক হয়ে উঠছে ডেঙ্গু, হাসপাতালে বাড়ছে চাপ

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১
  • ৩৯

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

রাজধানীতে ক্রমেই ভয়ংক হয়ে উঠছে ডেঙ্গু। প্রতিদিনই হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। হাসপাতাল তথ্য বলছে, উত্তর সিটি করপোরেশনের চেয়ে রোগী বেশি দক্ষিণ সিটিতে। আর অধিকাংশ রোগী আসছে সায়দাবাদ, যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে। তবে দক্ষিণের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলছেন, নিয়ন্ত্রণে আছে পরিস্থিতি।
রাজধানীতে ক্রমেই ভয়ংক হয়ে উঠছে ডেঙ্গু, হাসপাতালে বাড়ছে চাপ

চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনেই রাজধানীতে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতলে ভর্তি হয়েছে প্রায় ৫০০ জন। বর্ষা মৌসুম কেবল শুরু তাতেই রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে (ঢাকা কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালের) প্রতিদিন রোগী আসছে ২০ থেকে ৩০ জন।
এরই মধ্যে খোলা হয়েছে ডেঙ্গুর জন্য বিশেষ ওয়ার্ড। রোগীর স্বজনরা জানান, অধিকাংশের বাড়ির আশপাশে রয়েছে নির্মাণাধীন ভবন।
হাসপাতালে ভর্তি এক শিশুরোগীর বাবা জানান, কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড জ্বর থাকায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরীক্ষা করার পর জানা গেছে ডেঙ্গু হয়েছে।

হাসপাতালে আসা এক নারী জানান, আমাদের বাড়ির ওপর এবং পাশে বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছে। হয়তো সেখানে পানি জমে মশা হতে পারে। প্রথমে আমার বড় মেয়ের হয়েছিল সুস্থ হওয়ার পর ছোট মেয়েটির হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে এখনো মারাত্মক ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। তবে যেসব রোগী আসছেন তাদের ৫০-৬০ শতাংশই যাত্রাবাড়ী, সায়দাবাদ এলাকার।

ঢাকা কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালের ডেপুটি সুপার ডা. মো. আব্দুল ওয়াহাব বলেন, জানুয়ারি থেকে এ মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেশি। প্রতিদিই প্রায় ১২-১৪ জন ডেঙ্গু রোগী আসছে। ভর্তি আছে ৫০-এর ওপরে।
এদিকে মশা নিধনে যে চিরুনি অভিযান শুরু হয়েছে তা অব্যাহত থাকবে। গত বছরের চেয়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে তবে তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণের মেয়র।

দক্ষিণের মেয়র বলেন, আমরা এখন যে কিটনাশকটা দিচ্ছে সেটি ম্যালাথিয়ন। আমরা কার্যক্রম শুরু করেছি। তারপরও আমরা লক্ষ্য করছি যেহেতু এ বছর বৃষ্টি বেশি তাই ডেঙ্গু গতবছরের চেয়ে একটু বেড়েছে। যদিও ২০১৯ ও ১৮ চেয়ে এখানো অনেক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গ রোগীর সংখ্যা গত পরশু দিন পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী ছিল, গতকাল খবর নিয়েছি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এখন নিম্নমুখী হচ্ছে। আমরা আশাবাদী আমাদের এ চিরুনি অভিযান চলমান থাকবে। আর এ চিরুনি অভিযানের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করতে পারব। মানুষকে সচেতনতার মাধম্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে মুক্ত হতে পারব।
ডেঙ্গু নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতলে ভর্তি আছেন ২৩৬ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..