• রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৫:১৯ অপরাহ্ন

রাজধানী ছাড়ার প্রবণতা ছিল চোখে পড়ার মতো

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১
  • ৯৬

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

কঠোর লকডাউনের আগের দিন বুধবার (৩০ জুন) রাজধানী ছেড়ে বাড়ি যেতে মানুষের দীর্ঘ সারি লক্ষ করা গেছে। যদিও চলছে সীমিত লকডাউন। রাজধানী থেকে জনস্রোত আছড়ে পড়ছে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়ায় ঘাটে।

স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরতে মরিয়া তারা। সড়কপথেও রাজধানীর ছাড়ার প্রবণতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

যদিও রাজধানীতে অফিস খোলা রেখে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় গন্তব্যে পৌঁছুতে হয়রানির স্বীকার হন অফিসগামীরা।

এদিকে, করোনা সংক্রমণ রোধে সারাদেশে সকল সরকারি-বেসরকারি-স্বায়ত্তশাসিত অফিস বন্ধ করে সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। লকডাউনে বন্ধ থাকবে গণপরিবহন-শপিংমল। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু থাকবে শিল্পকারখানা। সকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে শুরু হচ্ছে এ বিধি নিষেধ।

দুপুরে সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন ঘোষণার পর সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠে পুলিশের কড়া নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম। 

ডিএমপি জানিয়েছে, যুক্তিসংগত কারণ না দেখাতে পারলে মোবাইলে কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ৬ মাসের জেল ও জরিমানা করা হবে।

তবে, বৃহস্পতিবার থেকে লকডাউন মানাতে ছাড় দেবে না পুলিশ। সাফ জানিয়ে ডিএমপির হুঁশিয়ারি, অযথা ঘোরাঘুরি করলেই গ্রেপ্তার হতে হবে।

এবারের লকডাউনে মুভমেন্ট পাস যেমন থাকছে না তেমনি, অলিগলির দোকানপাটও খোলা রাখা যাবে না। এমন কি শিল্প-কারখানার কর্মকর্তা ও কর্মচারী যারা রাজধানীতে রয়েছেন তাদের নিজস্ব কর্মস্থলের চলে যাওয়ারও অনুরোধ জানান ডিএমপি কমিশনার।

কাঁচাবাজার খোলা স্থানে সরিয়ে আনার নির্দেশনার পাশাপাশি রিকশা চলাচলের অনুমতি থাকলেও ইচ্ছেমতো তা ব্যবহারেও কঠোর থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এমনটাই জানিয়েছেন মহানগরের পুলিশ প্রধান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..