• সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ১২:৪১ অপরাহ্ন

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২ আগস্ট, ২০১৯
  • ১২০১৩

বাংলারজমিন২৪/অনলাইন প্রতিনিধি- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ  বলেন, গ্যাস্ট্রিক বলতে আমরা সম্মিলিত পেটের সমস্যাকেই বুঝে থাকি। প্রচুর মানুষের এ সমস্যা আছে এবং এ ধরনের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। মহিলা-পুরুষ এমনকি আজকাল কম বয়সী বাচ্চাদেরও অ্যাসিডিটির সমস্যা হচ্ছে। এর মূল কারণ হল খাওয়া-দাওয়ায় অনিয়ম। স্বাভাবিক মানুষের যে খাদ্যাভ্যাস, সেটা এখন নেই। এখনকার বাচ্চারা বা প্রাপ্ত বয়স্করাও কাজের চাপের জন্য বাইরের খাবার ও ফাস্টফুড জাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন। এছাড়াও ঠিকমতো পানি পান না করা, নাস্তা না করা, দুপুরের খাবার দেরিতে খাওয়া, রাতের খাবার মধ্যরাতে খেলে পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়। এসব অনিয়ম এবং বাইরের খাবার খাওয়ার কারণেই গ্যাস্ট্রিকের রোগীর সংখ্যা বেশি বাড়ছে।

বয়স্ক মানুষ বাতের ব্যথা বা বিভিন্ন ব্যথা থেকে বাঁচতে বিভিন্ন ধরনের পেইন কিলার (ব্যথানাশক) ওষুধ খান। এছাড়া সামান্য সমস্যা দেখা দিলেই দোকান থেকে কিনে নিজের ইচ্ছেমতো গ্যাসের ওষুধ সেবন করেন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যখন-তখন এভাবে ওষুধ গ্রহণ করায় সেবনের কোনো মাত্রা ঠিক থাকে না, খাবারের আগে নাকি পর তা-ও ঠিক থাকে না। ফলে সমস্যা আরও জটিল হয়, ওষুধের মাত্রা ও তীব্রতা আরও বাড়ে।

গ্যাসের রোগীর মধ্যে যাদের আর্থিক অবস্থা একটু ভালো তারা ডাক্তার দেখান। তবে বেশিরভাগই দেখায় না। মানুষ মনে করে, গ্যাসই তো। এটি আর তেমন কী! দোকান থেকে ওষুধ নিয়ে মাসের পর মাস খাচ্ছে। এখন সব ওষুধেরই তো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। তাই ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধের মাত্রা ও সেবনের সময়সীমা অনুযায়ী খাওয়া উচিত। ডাক্তার রোগীকে তার অবস্থা বুঝে কত দিন খাবেন তা নির্ধারণ করে দেন। ওষুধ মাত্রার চেয়ে বেশি খেয়ে ফেললে অ্যাসিড কমে যায়। কিন্তু তখন নতুন সমস্যা দেখা দেয়। গ্যাস্ট্রিকের কিছু ওষুধ আছে যা ক্যালসিয়ামের ক্ষতি করে। তখন হাড় ক্ষয় হতে শুরু করে এবং এক পর্যায়ে হাড় ভেঙে যায়। লিভার ও কিডনির ক্ষতি করে।

বাংলারজমিন২৪/অনলাইন প্রতিনিধি

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..