• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন

মহেশখালী হোয়ানকে রাতের আঁধারে কৃষকের ষাঁড় গরু চুরি করে জবাই!

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৬ মে, ২০২০
  • ১৫৬

গত ১৪ মে(বৃহস্পতিবার)দিবাগত রাতে হোয়ানক ইউপিস্থ পূর্ব হরিয়ারছড়া গ্রামের মোহাম্মদ শহিদ উল্লাহ পিতা মুছা আলীর গোয়ালঘর থেকে রাতের আধাঁরে আনুমানিক প্রায় ১ লক্ষ ৫০হাজার টাকা দামের ০১টি ষাঁড় গরু নিয়ে যায়।

কৃষক শহিদ উল্লাহ জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিদিনের ন্যায় গরুগুলোকে গোয়ালঘরে রাখলে রাতের আঁধারে চোর চক্র গরু নিয়ে পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ০১টি গরু দেখতে না পেয়ে আশপাশ এলাকায় খোজাখোজি করলে পাশের ইউনিয়ন কালারমারছড়া ইউপিস্থ ফকিরজুম পাড়ায় গরুর সন্ধান মিলে। গোপন সুত্রে জানাতে পারি ফকিরজুম পাড়া পাহাড়ি এলাকা গোলাইল্লেরো বাগানে মোহাম্মদ বাদশা (ওরফে খানা বাদশা) গং নামের একটা গরু চুর চক্র গরুটি জবাই করছে বলে খবর পায়।

১৫ মে( শুক্রবার) সকালে স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে ফকিরজুম পাড়া গোলাইল্লেরো বাগান নামক স্থানে গেলে আমাদের যাওয়া বিষয়টি টের পেয়ে তারা গরুর মাথা চামড়া ও জবাই করার সরঞ্জামদি রেখে পালিয়ে যায়। এসময় গোলাইল্লেরো বাগান হতে গরুর মাথা ও চামড়া উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত গরুর চামড়া ও মাথাসহ নিয়ে কালামারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরিফের কাছে গেলে তিনি মহেশখালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করতে বলেন।এবং বিষয়টা তদন্ত করে দেখবে বলেও জানান।

স্থানীয় সুত্রে জানা জায়, গরু চুর চক্রের মুল হোতা মোহাম্মদ বাদশা (৩৫) ওরফে খানা বাদশা গং রা দীর্ঘদিন ধরে হোয়াবক, শাপলাপুর থেকে গরু চুরি করে পাহাড়ে জবাই করে মাংস বিক্রি করে আসছে তারা মুলত একটা সক্রিয় গরু চুর চক্র।

এদিকে কৃষক শহিদ উল্লাহ তার একমাত্র সম্বল ষাঁড় গরু টি চুরি হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ প্রভাষ চন্দ্র ধর স্যর এর হস্তেক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..