• শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন

মার্কেটিং কৌশলটা কোম্পানির সংস্কৃতি, পণ্য, সার্ভিস ও দামের প্রদর্শক।

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ৫৮

বাংলারজমিন২৪কম অনলাইন ডেক্স-

সফলতা ও ব্যবসায়ে প্রসার
একটি ব্যবসায়ের সফলতা কিছু কৌশল বিপণনের ওপর নির্ভর করে। বিপণন কৌশলটা একটা সিদ্ধান্ত। এর মাধ্যমে অনেক ভালো ফল পাবেন। কৌশলটা সচেতনতার মূল ভিত্তি। লভ্যাংশ, বিক্রি বাড়ানো, ক্রেতার সাথে লেগে থাকা। মার্কেটিং কৌশলটা কোম্পানির সংস্কৃতি, পণ্য, সার্ভিস ও দামের প্রদর্শক।

সাধারণ কৌশল
ঙ মার্কেটিংয়ের প্রধান কৌশল হলো টার্গেট কাস্টমার নির্ধারণ করা। আপনি কী পরিবেশন করবেন, তা সবসময় খোলখুলিভাবে উত্তর দিতে হবে। ঙ প্রথমেই নির্ধারণ করতে হবে কাদের জন্য পণ্য দিতে চান। কারা আপনার কাছ থেকে পণ্য নেবে? মানুষের চাহিদা অনুযায়ী আপনাকে প্রচার করতে হবে। আপনি ক্রেতার জায়গায় থেকে নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুন যে আপনার চাহিদা কী? ঙ প্রচার কাজ যত ভালোভাবে করতে পারবেন, ভোক্তা বা ক্রেতা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে তত বেশি। ঙ মার্কেটিং হচ্ছে ব্যবসায়ের ধরন বা বিবরণ। অনেক ব্যবসায়ী তার কোম্পানির বর্ণনাটা সহজতর করতে পারেন না। ফলে আপনি কী করেন মানুষ বুঝতে পারে না, যা মার্কেটিং প্রবৃদ্ধির অন্তরায়। ঙ মার্কেটিংয়ে অন্যান্য সুবিধা অবশ্যই হাইলাইট করতে হবে। এর মাধ্যমে টার্গেটেড কাস্টমার কী চায়, তার দিকে বেশি নজর দিতে হবে। ঙ আপনার ব্যবসায়ের ধরন কী, কোন ধরনের পণ্যের জন্য মার্কেটিং করছেন, তা পরিষ্কার করতে হবে। যাতে ক্রেতা সহজেই বুঝতে পারেন আপনি কী বার্তা তাদের দিতে চাচ্ছেন। ঙ পণ্যের সুবিধা প্রচার না করে পণ্য ব্যবহারে মানুষ কীভাবে বেশি সুবিধা পাবে, তা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে হবে। ঙ আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আপনি কেন আলাদা, তা তুলে ধরুন ক্রেতাদের কাছে। এতে আপনার পণ্যের গুণগত মানের কথা উল্লেখ করতে পারেন। ঙ আপনার বিজ্ঞাপনের শিরোনামটি এমনভাবে লিখুন যাতে সবার নজরে আসে। প্রয়োজনে বিজ্ঞাপনে সঠিক যতিচিহ্ন ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে মাঝে মাঝে কিছু অফার দিন, যাতে আপনার বিজ্ঞাপনটি জমজমাট থাকে। ঙ এবার বিজ্ঞাপনকে যেকোনো একটি বিষয়ের ওপর এমনভাবে তৈরি করুন, যাতে যেকোনো ভিজিটর সেখান থেকে যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায়। ঙ এখানে সরাসরি বুঝাবেন, আসলে আপনি ভোক্তাদের কাছ থেকে কী আশা করছেন। ভোক্তাদের বিজ্ঞাপনের ওপর আকৃষ্ট করার জন্য অনেক কিছু যোগ করতে পারেন। যেমন- ‘বিনামূল্যে’, ‘৫০%’ কুপন। ঙ সমস্যা হলে তা খুঁজে বের করতে হবে এবং দ্রুত কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। ঙ কাজের লক্ষ্য স্থির করতে হবে। ঙ একটি প্রতিষ্ঠান মার্কেটিংয়ের আগে কী কী বিষয় নিয়ে কাজ করতে চায় এবং কী কী সমস্যা ধরা পড়ছে, তা নিয়ে আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে। প্রত্যেকটি বিপণন প্রক্রিয়ায় কীভাবে সফলতা আসবে, আগে থেকেই সে ধারণা পরিষ্কার করে নিতে হবে।

ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশল
ঙ আপনার ব্যবসায়ের পরিচিতির জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করুন। এমনভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করুন, যাতে প্রফেশনাল লুক থাকে। ঙ মোবাইল উপযোগী ওয়েবসাইট তৈরি করুন। ঙ ভিজিটরদের জন্য সহজভাবে ব্যবহারোপযোগী ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। ঙ নিয়মিত সঠিক তথ্য দিয়ে ওয়েবসাইট সবসময় আপ-টু-ডেট রাখুন। ঙ কোম্পানির কাজের মান অনুযায়ী ডিজাইন সুন্দর করুন। ঙ এমনভাবে ওয়েবসাইটের কনটেন্ট তৈরি করুন, যাতে ক্লায়েন্ট আপনার পণ্যের ব্যাপারে আকর্ষণবোধ করেন। ঙ প্রতিটি পেজে ‘কল টু অ্যাকশন’ যুক্ত করুন, যাতে আপনার ভিজিটরকে পণ্যটি কিনতে কিংবা কেনার ব্যাপারে যোগাযোগ করতে উৎসাহবোধ করে। ঙ ওয়েবসাইটে ভিজিটর ট্র্যাকিং করার জন্য যেকোনো একটি টুলস, যেমন- গুগল অ্যানালাইটিকস ব্যবহার করুন, যাতে ভিজিটরদের গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়। ঙ ওয়েবসাইট তৈরিতে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করুন, যাতে তা ভিজিটর ও সার্চ ইঞ্জিন উভয়ের জন্য উপযোগী হয়।

গুগল অ্যাডওয়ার্ডের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশল
ঙ প্রথমেই বিজ্ঞাপনের জন্য একটি প্ল্যান তৈরি করুন এবং সে অনুযায়ী কখন কোন নেটওয়ার্ককে বিজ্ঞাপন দেবেন তা স্থির করুন। ঙ বিজ্ঞাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরি করুন। ঙ বিজ্ঞাপনের ধরন অনুযায়ী কি-ওয়ার্ড নির্ধারণ করুন। ঙ সার্চ নেটওয়ার্কে এক্সটেনশন ব্যবহার করুন। ঙ পে পার ক্লিক বিজ্ঞাপনকে বেশি গুরুত্ব দিন। ঙ ক্লিক-টু-কল এক্সটেনশন ব্যবহার করুন, একটি ট্র্যাকিং নম্বর ব্যবহার করে যাতে আপনি চিহ্নিত করতে পারবেন এবং পরিমাপ করতে পারবেন যে কোন বিজ্ঞাপনটি সেরা।

কনটেন্টের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশল
ঙ ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে ভিডিও মার্কেটিংয়ের দিকে গুরুত্ব দিন। ঙ ইনফোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি করে আপনার বিজ্ঞাপনে নতুনত্ব নিয়ে আসুন। ঙ আপনার পণ্য বা সার্ভিসের সুবিধাগুলো নিয়ে কার্যকর কনটেন্ট তৈরি করুন এবং তা শিডিউল পোস্টের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করুন। ঙ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টগুলোকে আপডেট করুন। সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট পোস্ট করার ক্ষেত্রে অটোমেটিক প্রক্রিয়া ব্যবহার করা উচিত। ঙ পণ্য বা সেবা সম্পর্কিত ইমেজ বা রিচ মিডিয়া ডকুমেন্ট তৈরি করে তা প্রকাশ করা। ঙ একেকটি পণ্যের মার্কেটিং করার প্রক্রিয়া ও কনটেন্ট একেক ধরনের হওয়া প্রয়োজন।
সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশল

ঙ একটি অ্যাকটিভ কমিউনিটি তৈরিতে নজর দিন। এমনভাবে একটি কমিউনিটি তৈরি করুন, যেখানে সব মেম্বার অ্যাকটিভ থাকবে। ঙ ফেসবুকে কমিউনিটি তৈরি করার জন্য গ্রম্নপ কিংবা পেজ তৈরি করুন। এমনি করে টুইটার, গুগল প্লাস কিংবা লিঙ্কডইনে কমিউনিটি তৈরি করুন।ঙ রেগুলার বেসিসে গ্রম্নপ, পেজ বা কমিউনিটিতে কার্যকর পোস্ট দিন। ঙ সব সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়ভাবে নিয়মিত অংশ নেয়ার জন্য ম্যানেজমেন্ট টুল ব্যবহার করুন, যা আপনার সময়কে সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে ভালো ফলাফল বের করতে সাহায্য করবে। ঙ আপনার টার্গেট করা ক্রেতাদের সাথে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নিন। কোনো বিষয় সংক্রান্ত প্রশ্ন করলে দ্রুত প্রশ্নের উত্তর দিন। ঙ কাউকে ই-মেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ কিংবা গ্রম্নপের লিঙ্কগুলো সিগনেচার হিসেবে ব্যবহার করুন। ঙ আপনার নিজের ওয়েবসাইটে কিংবা কোনো ব্লগে পোস্ট দেয়ার ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক বা শেয়ার বাটন যুক্ত করুন।
ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশল

ঙ ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের জন্য বর্তমানে ব্লগিং অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। মানুষের কাছে আপনার পণ্যের তথ্য পৌঁছে দেয়ার জন্য ব্লগ সবচেয়ে কার্যকর। ঙ আপনি যদি ব্লগিংয়ে নতুন হন, তাহলে অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘেঁটে এ সম্পর্কিত অনেক উপকারী তথ্য পাবেন। সেগুলো পড়ে জেনে নিন কীভাবে আপনার ব্লগ সাজাবেন। ঙ এবার ব্লগকে যেকোনো একটি বিষয়ের ওপর এমনভাবে তৈরি করুন, যাতে যেকোনো ভিজিটর সে সম্পর্কিত যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পান। ঙ এমনভাবে ব্লগের পোস্টগুলো তৈরি করুন, যাতে সেটা পণ্যের মার্কেটিং সম্পর্কিত কোনো কিছু মনে না হয় এবং ক্লায়েন্টের জন্য উপকারী ও তথ্যবহুল পোস্ট হতে হবে। ঙ ব্লগের প্রতিটি নতুন পোস্ট প্রকাশের পর সেটা সাথে সাথে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে শেয়ার করুন। ঙ সম্ভব হলে নিয়মিত কিছু অফার দিন, যাতে আপনার ব্লগটি জমজমাট থাকে। ঙ নিয়মিত পোস্ট দিতে হবে। সেটা একটা রুটিন অনুযায়ী করলে ভালো হয়। যেমন- তিন দিন পর, এক সপ্তাহ পর। তাহলে নিয়মিত ভিজিটর আসবেন নতুন কিছু পাওয়ার আশায়। ঙ গেস্ট ব্লগিং করলে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। এগুলোতে সবসময় কিছু নির্দিষ্ট পাঠক থাকে।
এসইও এবং এসইএমের দিকে গুরুত্ব দিন

ঙ আজকের প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এসইও এবং এসইএম খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসইও বা এসইএমের মাধ্যমে আপনার পণ্যকে গুগল সার্চের সবচেয়ে উপরে নিয়ে আসবেন, তাহলে আপনার পণ্যের বিক্রিও বাড়বে। কারণ, বর্তমানে মানুষ কোনো পণ্য কেনার আগে গুগল থেকে সার্চ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। ঙ অনলাইনে কনটেন্ট, যেকোনো পোস্ট কিংবা ফোরাম ডিসকাশনে যাতে আপনার টার্গেটেড কি-ওয়ার্ডের উপস্থিতি থাকে, যাতে খুব সহজে টার্গেটেড পাঠক আপনাকে খুঁজে পেতে পারেন। ঙ ব্লগের সাথে আপনার পণ্যের ওয়েবসাইটের একটি সংযোগ তৈরি করুন। ঙ কখনও ডুপ্লিকেট কনটেন্ট ব্যবহার করা উচিত নয়। এটা এসইওর ক্ষেত্রে খুবই ক্ষতিকর হবে। ঙ ওয়েবসাইটে টাইটেল ট্যাগ, মেটা ট্যাগ ব্যবহার করুন। এটা এসইওর ক্ষেত্রে আপনাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। ঙ গুগলের নিয়মিত নতুন আপডেট সম্পর্কে সচেতন থাকুন, নিজেকে সেভাবে প্রস্ত্তত করুন।

ই-মেইল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশল
ঙ বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বয়সের কিংবা বিভিন্ন ক্যাটাগরির মানুষের মেইল অ্যাড্রেস জোগাড় করুন। ঙ ই-মেইল টেমপ্লেটটি কালারফুল ও স্মার্ট করার চেষ্টা করুন। ঙ যে পণ্যের মার্কেটিং করতে চান, সেটি নিয়ে ভালোভাবে গবেষণা করুন। ঙ অন্য কোম্পানির একই পণ্য ও তাদের মার্কেটিং কৌশল নিয়ে গবেষণা করুন। ঙ টার্গেট কাস্টমারের ক্যাটাগরি করে সেই অনুযায়ী মেইল পাঠান। ঙ সবচেয়ে সহজভাবে পণ্যের গুণাগুণ বর্ণনা করুন আপনার মেইলে। ঙ মেইল অ্যাড্রেস ফিল্টারিং করুন।

এসএমএসের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশল
ঙ টার্গেট কাস্টমারের ধরন অনুযায়ী ফোন নাম্বার সেগমেন্টেশন করুন। ঙ প্রয়োজনে ব্র্যান্ডেড এসএমএস ব্যবহার করুন। ঙ এসএমএসের কনটেন্ট একটি ম্যাসেজের ক্যারেক্টারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করুন। ঙ ক্রেতা বা ভোক্তার প্রফেশন অনুযায়ী এসএমএস পাঠানোর ক্যাটাগরি নির্ধারণ করুন। ঙ খেয়াল রাখবেন, ক্রেতার কাছে একই এমএমএস যাতে একের অধিক না যায়।
যেভাবে একজন সফল ডিজিটাল মার্কেটার হবেন
ডিজিটাল মার্কেটিং খুব সহজেই অনলাইনে গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ তৈরি করতে সাহায্য করে। কীভাবে আপনি ভালো ডিজিটাল মার্কেটার হতে পারবেন, তার বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেয়া হলো :

ঙ ডিজিটাল মার্কেটিং আপনার ক্যারিয়ার হিসেবে পছন্দ কি না সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিন। ঙ নিজের জন্য মোবাইল উপযোগী সাইট তৈরি করুন। ঙ নতুন নতুন পরিকল্পনা তৈরির দিকে গুরুত্ব দিন। ঙ বিভিন্ন কাজের জন্য সঠিক টুল ব্যবহার করুন। ঙ নতুন নতুন আইডিয়া এবং পরিকল্পনা সৃষ্টি করুন। ঙ সেল্ফ মোটিভেটেড হোন। ঙ আপনার পোর্টফোলিও তৈরি করুন। ঙ দক্ষতা গড়ে তুলতে কিছু ছোট ছোট প্রকল্প গ্রহণ করুন। ঙ ই-মেইল মার্কেটিং করুন। ঙ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন এবং সর্বোচ্চ অ্যাকটিভ থাকার চেষ্টা করুন। ঙ গুগলে আপনার কোম্পানির নাম নিবন্ধন করুন। ঙ আপনার কাজের একটি কার্যকর পোর্টফোলিও রাখুন। ঙ নিজের নামে ব্র্যান্ডেড এসএমএস ব্যবহার করুন। ঙ সবসময় সবাইকে সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলুন। ঙ আপনার প্রতিযোগী সম্পর্কে জানুন। ঙ নতুন কিছু শেখার দিকে গুরুত্ব দিন। ঙ ধারাবাহিকভাবে টেকনিক্যাল নলেজ বাড়িয়ে তুলুন। ঙ ডাটা নিয়ে অ্যানালাইসিস করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অনেক পদ্ধতি রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু পদ্ধতি নিচে দেয়া হলো :
ঙ গুগল অ্যাডসেন্স থেকে অর্থ উপার্জন। ঙ অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন। ঙ ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন। ঙ ই-কমার্স খাতে পণ্য সেল করে। ঙ লিঙ্ক সর্টের মাধ্যমে। ঙ অ্যাফিলিয়েটেড মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন।

উপরে উল্লিখিত তথ্য বিশ্লেষণ করলে খুব সহজেই বুঝা যায় ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব। শুধু ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কোনো পণ্য বা সেবার তথ্য নির্ধারিত গ্রাহককে খুব সহজেই জানাতে পারি। পিপিসি, এসইএম, এসইও, সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগিং এবং ই-মেইল মার্কেটিং সাথে সম্ভব হলে এসএমএস মার্কেটিংয়ে কয়েকটি কাজ নিয়মিত করার মাধ্যমে আপনার পণ্যের দ্রুত প্রসার সম্ভব। এই মাধ্যমগুলোতে নিয়মিত বিজ্ঞাপন শুরু করলেই ধীরে ধীরে এগুলো থেকে আরও ভালো ফলাফল বের করতে পারবেন। আরও ভালোভাবে টার্গেটেড ক্লায়েন্টকে আকৃষ্ট করতে পারবেন আপনার পণ্য বা সেবার প্রতি

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..