• বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২০, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন

দলছুট নেতাদের কথায় কান না দিয়ে জাতীয়করণ আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহণ করার আহবান বাশিস

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২০
  • ১৬ বার পঠিত

শ্রদ্ধেয় শিক্ষক বন্ধুগণ
ছালাম ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।বিশ্বের প্রায় ১৮০টি দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।আমাদেরকে আতংকিত না হয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।আমরা শিক্ষক সমাজ আমাদের অনেক দায়িত্ব।যেকোনো পরিস্থিতিতে শিক্ষক সমাজ বর্তমান সরকারের পাশাপাশি থেকে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা করবো ইনশাললাহ।

প্রিয় শিক্ষকবন্ধুগণ
কয়েকজন শিক্ষক নামের অশিক্ষক, যারা তাদের অপকর্ম ও নিজ নিজ ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে।তারা আজ বিভিন্ন ভাবে শিক্ষক সমাজের বিরুদ্ধে কাজ করছে।তারা জাতীয়করণের দাবিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চায়।তারা সংগঠনের নামে চাঁদাবাজি করছে বলে জানা যায়।ঐ শিক্ষকরা আমাদের নামে propagandaকরছে।ওদের কথা আমলে না নিয়ে আসুন ঐক্যবদ্ধ হই সবাই।জাতীয়করণ এখন সময়ের দাবি।একটা জিনিস মনে রাখতে হবে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস না থাকলে জয়ী হয়া যায় না।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি(নজরুল)বিগত ২০০০সাল থেকে এর যাত্রা শুরু।এদেশে অনেক সংগঠন আছে।কেউ অনলাইনে চাঁদা নিচ্ছে।কেউ কেউ নিজ স্বার্থে ব্যবহার করছে সংগঠনকে।কেউ কেউ প্রশ্ন ও বইয়ের ব্যবসা করে থাকে।যাদের উদ্দেশ্য চাঁদা গ্রহণ,ব্যবসা কিংবা শিক্ষক স্বার্থবিরোধী তাদের নিয়ে ঐক্য হতে পারে না।অনেকে আবার নতুন করে নেতা হতে চায়।অথচ জন্মের আগেই ঝড়ে যায়।নিজের পায়ের তলায় মাটি নেই।একটি commentsএ ১০টি বানান ভুল।ওদের কাছ থেকে জাতি কি শিখবে?

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি অন্যায়কে প্রতিহত করেই এগিয়ে যাবে।এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে এক সাথে ঘোষণা না আসা পর্যন্ত চেষ্টা অব্যাহত থাকবে ইনশাললাহ।শিক্ষক সমাজের দাবি একটাই হওয়া উচিত।জাতীয়করণের মধ্যেই সবকিছু নিহিত।কেউ কেউ নিজেদের স্বার্থেই অন্য কিছু দাবি করে শিক্ষকসমাজের রক্ত চুষে টাকা পয়সা নিয়ে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।শিক্ষকদের চরিত্র এমন হলে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় হবে কি করে?মনে পড়ে লেজ কাটা শিয়ালের গল্পটা।বহিষ্কৃত নেতা আমাদেরকে এগুতে দিচ্ছেনা।পা টেনে ধরে রাখে।পা চাটতে এত মজা লাগে তাদের!এ সব মনের খুব কষ্ট থেকে লেখা।বিদ্রুপকারীরা এক সময় আমার পিছনে পিছনে ঘুরছে।পদের জন্য।এরা চরম বেঈমান ও মোনাফেক।মোনাফেকদের জায়গা বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতিতে নেই।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি(নজরুল)একটি আপোসহীন ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সংগঠন।আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কাজ করছি।এটি face book ভিত্তিক সংগঠন নয়।আমরা রাজপথেও ছিলাম এবং আছি।যারা এ পেশায় নতুন হয়তো তারা না বুঝে মন্তব্য করেন।অনেকেই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিচ্ছে সংগঠনের নামে।আপনারা শিক্ষক সমাজ এসব মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বিশ্বাস করবেন না।এরা শিক্ষক সমাজের শত্রু।এরা জাতীয়করণ চায় না।এদের উদ্দেশ্য শিক্ষক সমাজ বুঝতে পেরেছে।এরা কিছুই করতে পারবে না।তবে চাঁদা সংগ্রহের কৌশল কিংবা মিথ্যা propaganda ভালো পারে।

একটি ফেইস বুক ভিত্তিক সংগঠন শিক্ষক সমাবেশ করবে বলে কিছুদিন propagandaকরেছে।কিছুই পারবেনা।আমরা ৯মার্চ জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচী সফলতার সাথে করেছি।আমরা মিথ্যা বলিনা।যা পারি তা করি।আমরা শিক্ষক সমাজকে সম্মান প্রদর্শন করতে জানি।পরিবার থেকে সেই শিক্ষা পেয়েছি।আমরা জানি কাউকে সম্মান দিলে সম্মান পাওয়া যায়।

শিক্ষক বন্ধুগণ
নতুন নতুন শিক্ষক সংগঠন হচ্ছে।কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা।অবস্থা এমন যে ভাসুরের নাম মুখে নিতে নেই।আপনারা শিক্ষক আপনারা সবই বুঝতে পারেন।কাউকে বোঝানোর ভাষা আমার জানা নেই।তবে একটা জিনিস বুঝতে পারছি চাঁদাধারী ও মোনাফেকী সংগঠন বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে জাতীয়করণ আন্দোলন সংগ্রাম তীব্র থেকে তীব্রতর হবে ইনশাললাহ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শিক্ষক সমাজ আমরা শিক্ষক সমাজের ন্যায্য দাবি আদায়ে কারো সাথে আপোস করিনা।
বন্ধুগণ
করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে আসুন সবাই শিক্ষক সমাজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি।ছাত্রদেরকে ঘরে থেকে পড়াশুনা করার অনুরোধ করি।সরকারী নির্দেশ অনুযায়ী আমাদের কাজ করতে হবে।

পরিশেষে ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি।

জয় বাংলা।

মোঃনজরুল ইসলাম রনি
সভাপতি
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও মুখপাত্র
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরাম।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..