• মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২০, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন

মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাশিস নেতৃবৃন্দের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২০
  • ২১ বার পঠিত

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ১৮ মার্চ/২০২০ খ্রি. বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম রনি,মহাসচিব মোঃ মেজবাহুল ইসলাম প্রিন্স,সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মোঃ আবুল হোসেন,বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শাহনাজ বেগম এবং উওরের সভাপতি মোঃ উজির আলী ,বাশিসের কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেন,গাজীপুর জেলার সভাপতি মোঃ নূরুল ইসলাম,মুন্সি গঞ্জ জেলার সভাপতি বাবু রতন কুমার সরকার (অধ্যক্ষ) সহ প্রমুখ।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে বাশিসের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জনাব নজরুল ইসলাম রনি স্যার বলেন –

বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণার নাম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ১৭ মার্চ ১৯২০ খ্রি. গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায়। যে শিশুটির জন্ম না হলে আমরা স্বাধীনতার স্বাদ পেতাম কিনা জানা নেই। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ্য বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ত্যাগের কথা বাঙালি জাতি কখনো ভুলতে পারবে না। তিনি বাঙালি জাতির অহংকার। বঙ্গবন্ধুর সাহসী নেতৃত্বের কারণে আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। তিনি ছিলেন স্বাধীনতার স্বপ্ন পুরুষ। বাংলাদেশের স্থপতি। বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। বাঙালি জাতির নাড়ির স্পন্দন। আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক। আমরা পেয়েছি স্বাধীন একটি রাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ নামক ভূ-খণ্ড। আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি। আজ আমরা বাংলাদেশ নামক ভূ-খণ্ডের অধিকারী। এই ভূ-খণ্ড পেতে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করতে হয়েছিল বাঙালি জাতিকে । যার নেতৃত্বে আমরা সোচ্চার হয়েছিলাম তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালি জাতির অস্তিত্বের আরেক নাম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় মহাসচিব জনাব মেজবাহুল ইসলাম প্রিন্স বলেন –

এই মহান নেতার জীবন যাপন ছিল খুবই সাধারণ। তিনি কখনো বিলাসবহুল জীবন যাপন পছন্দ করতেন না। এই মহান নেতার জীবনী থেকে জানা যায় তিনি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তিনি কখনো অন্যায়কে সহ্য করতে পারতেন না। যেখানে অন্যায় দেখা যেত সেখানেই তিনি প্রতিবাদের ঝড় তুলতেন। বাংলার স্বাধীনতা পাবার জন্য জীবনের অর্ধেকেরও বেশি সময় এই মহান নেতাকে কারাবন্দী থাকতে হয়েছে। তবুও তিনি হাল ছাড়েনি। মৃত্যুকে ভয় করেননি। তিনি ফাঁসিকে ভয় করেননি। বাংলার স্বাধীনতা চাই এই উদ্দেশ্যে তিনি নিজের জীবনের কথা কখনো ভাবেননি। শুধু একটাই ভাবনা ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতা। তিনি চেয়ে ছিলেন বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার গ্লানি থেকে দেশকে মুক্ত করা। পাকিস্তানের শাসন শোষণের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করা। পাকিস্তানী শাসকদের হাত থেকে বাংলার জনগণকে রক্ষা করা। নিজ অধিকার আদায় করা। রাষ্ট্রের প্রতিটি মানুষের কাছে স্বাধীনতার সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জনাব আবুল হোসেন বলেন –

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সেই ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির প্রেরণা ছিল। তিনি ছিলেন আপোষহীন নেতা। তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি ছিলেন বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। তিনি ছিলেন বাঙালি জাতির গর্ব। সারা বিশ্বে আজ বাংলা ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়। এই মহান নেতার একটি ঘোষণায় সমগ্র বাঙালি জাতি স্বাধীনতার জন্য ঝাপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে। ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তের বিনিময়ে বাঙালি জাতি দেশকে স্বাধীন করেছিল। আমরা পেয়েছিলাম বাংলাদেশ নামক ভূ-খণ্ড। আমরা পেয়েছিলাম বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্র।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশ হবে সোনার বাংলা। সেই স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যাচ্ছেন তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আজ প্রায় সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণ হবার শেষ প্রান্তে। আমরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই মুজিববর্ষেই সমগ্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করে আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করবেন।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের একটিই দাবি এই মুজিববর্ষেই সমগ্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করার। আশা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই মুজিববর্ষেই শিক্ষা ব্যবস্থার সকল বৈষম্য দূরীকরণের মাধ্যমে জাতিকে একটি বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা উপহার দিবেন। এই প্রত্যাশা করি আমরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক বৃন্দ।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..