• শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিকার ও পরিচ্ছন্ন-পরিবেশসহ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ১৫ দফা দাবী

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৯
  • ২৩৫
Exif_JPEG_420

আশরাফুল ইসলাম

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিকার ও পরিচ্ছন্ন-পরিবেশসহ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ১৫ দফা দাবিতে ২৬ আগস্ট সোমবার জেলা শহরের ডিবি রোড আসাদুজ্জামান মার্কেটের সামনে এক মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট গাইবান্ধা জেলা শাখা এই কর্মসূচি পালন করে।

মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। পরে জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বরাবরে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট গাইবান্ধা জেলা শাখার পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

 

সংগঠনের জেলা সভাপতি আলমগীর কবির বাদলের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র তানজিমুল ইসলাম পিটার, গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সাবু, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফরহাদ আব্দুল্যাহ হারুন বাবলু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের জেলা সম্পাদক স্বপন কুমার সাহা, ফারুক শিয়ার চিনু, মোহাম্মদ আমিন, আলিমুজ্জামান মিলন, ময়নুল ইসলাম রাজা, সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম বাবু, সরকার মো. শহিদুজ্জামান, সুজন প্রসাদ, সালা উদ্দিন কাশেম, সোহেল রানা, আশিক আহমেদ, নুর মোহাম্মদ বাবু, আফরিন আফরোজ বিজলী প্রমুখ।

মানববন্ধন চলাকালে ১৫ দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট পথচারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

দাবী সমূহ হচ্ছে- গাইবান্ধা জেলারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক আরএমও সহ সকল কর্মরত চিকিৎসকদের কর্মস্থলে সার্বক্ষনিক অবস্থান, নির্দিষ্ট সময়ে পর্যন্ত আউটডোর সার্ভিস সহ ২৪ ঘন্টা জরুরী সেবায় চিকিৎসকের উপস্থিতি, ইন্টার্নী স্যাকমোদের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দ্বারা চিকিৎসা দেয়া বন্ধ করা, হাসপাতালে গাইনী ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও আইসিইউ চালু, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্ধারিত কেবিন বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণের জন্যও কেবিনসহ শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেনারেটর বাবদ তেল বরাদ্দ, নিম্নমানের রিয়াজেন্ট দ্বারা প্যাথলজিক্যাল টেস্ট না করা, সরকারী বরাদ্দ যথাযথ খাতে সুষ্ঠু ব্যবস্থার ও যথাযথ নিরীক্ষক দ্বারা ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের প্যাথলজি টেস্টের ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় সকল প্রকার ওষুধ সরবরাহ, রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার মান সম্পন্ন ও সঠিক পরিমাপে বন্টন, প্রাপ্ত ওষুধের তালিকা টানানো, রোগী দর্শনার্থীসহ হাসপাতালে আগতদের পরিবেশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যবস্থা, হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডসহ সকল কক্ষ, টয়লেট ও বাহির প্রতিদিন নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখা এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহসহ পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা কার্যকর ও পরিচ্ছন্ন রাখা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..