• শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন

শরীয়তপুরে মাদরাসা ছাত্র ওসমান হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেফতার

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৬৬ বার পঠিত

রাজিব হোসেন রাজন, শরীয়তপুর ॥
শরীয়তপুর সদর উপজেলার উত্তর ভাষান চর গ্রামের মাদরাসা ছাত্র মো. ওসমান মাদবর (১২) হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেফতার করেছে শরীয়তপুরের সিআইডি পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামীরা উপজেলার উত্তর ভাষানচর গ্রামের মৃত জামর কাজীর ছেলে আলী হোসেন কাজী ও মৃত কালু সরদারের ছেলে খালেক সরদার। বুধবার দুপুর ২টায় শরীয়তপুর শহরের পাকারমাথাস্থ এলাকা থেকে তাদের আটক করে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশ পরিদর্শক মো. আলমগীর হোসেন সাত দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আসামীদের চীফ জুডীসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। দীর্ঘ শুনানী পর আদালত আসামীদের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালতে প্ররণ করেন।

সিআইডি অফিস সূত্রে জানাগেছে, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর শরীয়তপুর জেলা সিআইডি পুলিশ মো. আলমগীর হোসেন অন্যান্য সিআইডি অফিসার ও সদস্যদের নিয়ে গোপন তৎপর চালিয়ে দীর্ঘদিনপর হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ধৃত আসামী আলী হোসেন কাজীর বিরুদ্ধে পালং থানায় ডাকাতি মামলাসহ আরও ৪টি ও খালেক সরদারের বিরুদ্ধে আরও ৬টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর ও ঢাকা জেরা সহ বিভিন্ন জেরায় ডাকাতি মামলা রয়েছে এই আসামীদের বিরুদ্ধে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশ পরিদর্শক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, হত্যাকান্ড সংগঠিত হওয়ার পর থেকেই সন্ধিগ্ধ আসামী মো. আলী হোসেন কাজী ও আ. খালেক সরদার পলাতক ছিল। গোপন তৎপরতা চালিয়ে এবং সাহসিকতার সাথে অভিযান পরিচালনা করে আসামীদের গ্রেফতার কারতে সক্ষম হই। ধৃত আসামীরা প্রথমিক ভাবে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আরও তথ্য উদঘাটনের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন সহ আসামীদের বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করি। আদালতের বিচারক ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। মামলার তদন্তাধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই দাদপুর নতুনহাট এলাকার নোমানিয়া কওমিয়া আরাবিয়া মাদরাসার ছাত্র ও উত্তর ভাষানচর গ্রামের ইদ্রিস মাদবরের ছেলে মো. ওসমান মাদবর দুপুরের খাবার খেয়ে এবং রাতের খাবার সাথে নিয়ে মাদরাসায় যায়। সন্ধ্যা ৬টায় মাদরাসার নিকটবর্তী নতুনহাট বাজারে গিয়ে আর মাদরাসায় ফিরে যায় নাই। পরদিন (২৪ জুলাই) নতুনহাট বাজারের নিবটবর্তী মফেজ খলিফা ও কাদের খলিফার আঁখ ক্ষেতের আইলে ওসমানের মরদেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় প্রথমে পালং মডেল থানায় ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই ২৪ নং মামলা দায়ের হয়। যাহার জিআর মামলা নং ১৬৭/২০১৭।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..