• সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

বিশ্ববিদ্যালয়কে ছোট কিছু হলেও দিতে পেরেছি

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১২৩

ইসমাইল রিফাত, বেরোবি প্রতিনিধিঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের উদ্যোগে ‘একাদশ জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০১৯” এর চূড়ান্ত পর্বে মোঃ মজিদুল ইসলাম তৃতীয় হয়েছেন । মোঃ মজিদুল ইসলাম বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থী । সাড়া বাংলাদেশের নামি দামি বিশ্ববিদ্যালয়কে পিছনে ফেলে তৃতীয় স্থান দখল করে নেন বেরোবির মজিদুল ইসলাম । এই প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত পর্বে মোট ১০ জন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হয় ।

জানা যায় , সাড়া বাংলাদেশের ৮ টি অঞ্চল ভেদে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ।প্রতিটি অঞ্চল থেকে ১০ জন প্রতিযোগিকে নেয়া হয়। ২৯ নভেম্বর রংপুর অঞ্চলে পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ২য় হয়ে এবার জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডে সুযোগ পান মজিদুল ইসলাম । পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার জমভিটা গ্রামের কৃষক ঘড়ে মজিদুলের জন্ম । বাবা রফিজুল ইসলাম, মা মনজিলা বেগমের পাঁচ সন্তানের ৩য় মজিদুল ইসলাম।

একাদশ জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডে তৃতীয় হওয়ায় মজিদুল ইসলাম বলেন , ১৩ ডিসেম্বর সাড়ে ৪ টার দিকে যখন জানতে পারি আমি তৃতীয় হয়েছি । শুনেই অনেক ভালো ভালো লাগা কাজ করে। আমাদের বিশবিদ্যালয়ের গনিত বিভাগের একজন ছাত্র হয়ে হয়তো বিশবিদ্যালয়কে ছোট কিছু হলেও দিতে পেরেছি। আমি আশা করছি পরবর্তীতে হয়তো এর চেয়েও বেশি কিছু বিশবিদ্যালয়কে দিতে পারবো ।

গণিত ভালে লাগার ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন , গণিত আমার প্রথম থেকেই অনেক ভালো লাগত। সেই ভালো লাগা থেকে মূলত গণিত অলিম্পিয়াড এ অংশগ্রহণ করা। আমি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ থাকা অবস্থায় আমি অনেক ভালো গনিত বুঝতাম। সেকেন্ডারি তেও গণিতে অনেক ভালো মার্ক পেতাম।নবম -দশম শ্রেণিতে বেশ কয়েক বার ১০০ তে ৯৯ পেয়েছি। এগুলো থেকে গণিতের ওপর আগ্রহ টা দিন দিন বেড়েই চলত। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে আমার প্রথম পছন্দ ছিলো গণিত বিভাগ।

এত দূর আসার পিছনে অনুপ্রেরক হিসেবে আমার বিভাগের বেশ কয়েক জন শিক্ষক আমাকে যথেষ্ট অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, সাপোর্ট দিয়েছেন। স্যারেরা প্রায়শই আমার প্রস্তুতির বিষয়ে খোজ নিতেন। যেটা আমাকে গণিত অলিম্পিয়াড এর দিকে আরও বেশি আকৃষ্ট করেছে।

ভবিষতের স্বপ্ন নিয়ে মজিদুল ইসলাম বলেন , গণিত এ অনার্স মাস্টার্স করে বিদেশে গিয়ে পি এইচ ডি করার প্রবল ইচ্ছে। যদি সেটা সম্ভব হয় তবে পি এইচ ডি শেষ করে দেশে ফিরে গনিতের শাখা প্রসার করে ছাত্র-ছাত্রীদের গনিতের ভয় দূরীভূত করার জন্যে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ ।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, এমন অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে । যারা গণিত মনস্ক তাদেরকে এটি অনুপ্রাণিত করবে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..