• শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন

খালেদা জিয়ার ব্লাড প্রেশার ও ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে আছে: মেডিকেল প্রতিবেদনে

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৯৮

বাংলারজমিন/ডেস্ক রিপোর্ট: বেগম খালেদা জিয়ার ব্লাড প্রেশার ও ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে আছে, এমনটাই জানানো হয়েছে বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে গঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ৭ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের দেয়া প্রতিবেদনে।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার কিছু সময় পর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের আপিল বেঞ্চে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি শুরু হওয়ার পর এ তথ্য জাননো হয়। শুনানির শুরুতেই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আপিল বেঞ্চে বিএনপি চেয়ারপার্সনের স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

খালেদার শুনানি শুরুর আগে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের উদ্দেশ্যে আপিল বিভাগ বলেন, আজকের শুনানিতে উভয় পক্ষের ৩০ জন করে আইনজীবী থাকবেন। এ বলে আদালত বিরতিতে যান।

এর আগে বুধবার বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ তার সর্বশেষ স্বাস্থ্যগত প্রতিবেদন উচ্চ আদালতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে দাখিল করে।

আদালতের কার্যতালিকায় আবেদনটি শুনানির জন্য ১২ নম্বর ক্রমিকে রাখা ছিল। এ জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকাসহ নগর জুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আপিল বিভাগের এজলাসে বসানো হয়েছে ৮টি সিসি ক্যামেরা। এছাড়া পুরো সুপ্রিম কোর্টই থাকবে সিসিটিভির আওতায়। মূলত বেগম জিয়ার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে এজলাসে বসানো হয়েছে এগুলো। পুলিশের গোয়েন্দা তথ্যানুসারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে আদালতের।

এর আগে, গত ২৮ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানতে মেডিক্যাল বোর্ডের রিপোর্ট চান। যা ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে আপিল বিভাগে দাখিল করতে বলা হয়। একই সঙ্গে ৫ ডিসেম্বর আদেশের জন্য দিন রাখা হয়। তবে ওইদিন প্রতিবেদন পাঠানো হয়নি। এরপর আদালত কোনো ব্যর্থতা ছাড়াই ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়ে শুনানি ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করেন।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়ে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। আপিলের পর হাইকোর্টে যা বেড়ে ১০ বছর হয়। পরে ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর খালাস চেয়ে আপিল বিভাগে খালেদা জিয়া জামিন আবেদন করেন। তবে সেই আবেদন এখনো আদালতে উপস্থাপন করেননি তার আইনজীবীরা।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান (বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। একই সাজা হয়েছে মামলার অপর তিন আসামিরও।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি হলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..