• রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ০৬:১৯ অপরাহ্ন

অবহেলা……

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৩৪৭

অবহেলা……

দিনের পর দিন একটা মানুষকে গুরুত্ব দিচ্ছেন আপনি।আর সে মানুষটা আপনাকে অবহেলা করছে।
অথচ আপনি আবারো হ্যাংলার মতো তাকে খুঁজছেন।
–তাকে বলছেন তুমিই আমার সব।
যখন আপনার মুখ থেকে “তুমি আমার সব” কথাটা শুনছে তখনই সে নিজেকে আরও বেশী অহংকারী করে তুলছে।

কারণ সে বুঝে গেছে আপনার তাকে ছাড়া চলা একেবারেই অসম্ভব।
তাইতো তার পক্ষে বারবার আপনাকে তুচ্ছ করা সহজ ভাবেই সম্ভব হচ্ছে।

অথচ আপনি সর্বোচ্চ কঠিন পদক্ষেপ ও নিতে রাজী শুধু তাকেই কাছে পাওয়ার জন্যে।

আপনার দিক থেকে আপনি শতভাগ সত্যি।কিন্তু এটাও তো সত্যিই যে ঐ মানুষটাকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে আপনি নিজের আত্ম সম্মানবোধ ভুলেই যাচ্ছেন।

এখন হয়তো বলবেন, যাকে ভালোবাসি তার কাছে কিসের আত্মসম্মান বোধ!
তার কাছেই তো আপনার সম্মানবোধ সবচেয়ে বেশি।
সেক্ষেত্রে যদি সেই ব্যক্তিটিই আপনার সম্মানের কথা চিন্তা না করে।তবে আপনারই বা মহৎ হওয়ার কি দরকার?
যত বেশি মহৎ হবেন তত বেশী সুযোগ নিতে চাইবে।
–হয়তোবা মুখের উপর এটাও বলে দিবে …..
তুমি আর আমায় ফোন দিবেনা।
তোমাকে আর ভালো লাগেনা।
আমি এখন ব্যস্ত হয়ে গেছি আগের থেকে।
তুমি তোমার মত থাকো,আমি আমার মত।

–যে মানুষটা চটাং টাইপ এমন বলছে,তার সাথে সামনে এগোনো টাই বোকামি।
কেননা,যতক্ষণ পর্যন্ত এসব বলার পরও আপনার সাথে সম্পর্ক থাকছে ততক্ষণ মনে রাখবেন,সে আপনাকে ব্যবহার করছে।

আর এই ব্যপারটা আপনি বুঝতে পারছেন না।

আপনি ভেবে নিচ্ছেন,সে হয়তো আপনাকে এতটাই ভালোবাসে যার কারনে চলে যেতে চেয়েও ফিরে আসে বারবার।

ভুল আপনি,ভুল আপনার চিন্তা ভাবনা।

একটা সময় সে চলে যাবেই।এখন সে আপনাকে হাতের মুঠোয় রাখছে নিজের স্বার্থে।
আর আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন ভালোবাসার স্বার্থে।
দুজনেরই স্বার্থ আছে শুধু চাওয়ার পথটা ভিন্ন।

এখন আপনিই বলুন যার সাথে মনের এত অমিল তার সাথে দেহের ভাবনা করা কি ঠিক?

যদি বোঝেন ঠিক নয়,তবে please Come back,
ফিরে আসা উচিত আপনার।অন্তত এটা ভেবে যে আপনি কারো হাতের পুতুল হয়ে বেঁচে না থেকে অন্য কারো “স্বপ্নের মানুষ” হতে নিজেকে প্রস্তুত করুন।

এতে অন্তত নিজেকে ঠকানো হবেনা।
জানেন তো, নিজেকে ঠকানোর মতো বড় পাপ আর নেই।তবে কোন পূন্যের আশায় অযোগ্য একটা মানুষের জন্যে নিজের ভাবনাকে শূন্য করছেন!!

প্লিজ নিজের আবেগকে এতটা শূন্য করবেন না।যতটা শূন্য করলে জীবনের অংকটা অমিল রয়ে যাবে।

তাই কখনও কখনও নিজের জীবনের অংকগুলোর সমাধান করতে বিকল্প পদ্ধতি বেছে নিতে হয়।এতে করে অন্তত নিজের ভাবনার পরিধি শূন্যের কোটা থেকে পূর্ণের কোটায় ভীড়ার সুযোগ পেতে পারে।

তাই কিছু সময়ে নিজের কথা ভাবুন।নিজের জন্যে বাঁচুন। দেখবেন,সবার জন্যে বাঁচাটা হয়ে যাবে। কিন্তু এমন কারো জন্যে নিজের স্বত্তা বিলীন করবেন না, যে আপনাকে হারালে পরে আফসোস টুকু পর্যন্ত করবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..