• রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন

বিলাইছড়িতে ইউএনও’র জোড়া খুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৪৮২ বার পঠিত

অসীম চাকমা,বিলাইছড়ি, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকাল তিনটা’র সময় বিলাইছড়ির কুতুবদিয়া গ্রামে গিয়ে সম্প্রতি হত্যাযজ্ঞের শিকার দুই ভাই দীপংকর তঞ্চঙ্গ্যা ও শ্রীকান্ত তঞ্চঙ্গ্যা হত্যার ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ চৌধুরী। এ সময় তিনি ভিকটিম পরিবারের সাথেও সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা, ১নং বিলাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, বিলাইছড়ি ইউপি সংরক্ষিত সদস্য স্বপ্না তঞ্চঙ্গ্যা, ৩নং ওয়ার্ড সদস্য জয়তন তঞ্চঙ্গ্যা, সূর্যের হাঁসি ক্লিনিকের উপজেলা ম্যানেজার বাপ্পী তঞ্চঙ্গ্যা, দীঘলছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রঞ্জন তঞ্চঙ্গ্যা, সহকারি শিক্ষক সুদর্শন বড়ুয়া, সহকারি শিক্ষক বিপ্লব বড়ুয়া ও উপজেলা নির্বাহী অফিসের বিটু চাকমা।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনও ভিকটিম পরিবারের সদস্যদের ঘটনাত্তোর মানসিক ও পারিবারিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।

এদিকে নিহত দীপংকর তঞ্চঙ্গ্যা ছিল গ্রাম পুলিশের সদস্য। তার একটি ৮ বছরের মেয়ে সন্তান আছে। এবং স্ত্রী গর্ভবতী হওয়ায়, তার মৃত্যুর তিন দিনের মাথায় ২ ডিসেম্বর ভোর রাত আনুমানিক পৌনে তিনটার সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্ত্রী আর এক ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। স্বামী ও দেবরের মর্মান্তিক হত্যার শিকারের ঘটনায় শোকাচ্ছন্ন হয়ে ছেলের মা ঠিকমত খাদ্য খেতে না পারায় মাতৃ দুধের অভাব দেখা দিয়েছে। তাই সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুটিকে কিভাবে বাড়তি খাদ্য দেয়া যেতে পারে সে বিষয়ে ডাক্তারী পরামর্শ নেওয়ার জন্য ইউএনও পরামর্শ দেন। পাশাপাশি তিনি সূর্যের হাঁসি ক্লিনিকের ম্যানেজার বাপ্পী তঞ্চঙ্গ্যাকে দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরোধ জানান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনও নিহত দীপংকর তঞ্চঙ্গ্যার স্ত্রীর সদ্য জন্ম হওয়া শিশুটির জন্য মশারী ও কাপড়-চোপড় বিতরণ করেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ নভেম্বর শুক্রবার কুতুবদিয়া গ্রামে ভিকটিমের বাগানে খুনীর গরুর চড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হত্যাকারী লক্ষীজয় মার্মা (২৬) নামের এক ব্যক্তি ধারালো দা’দিয়ে কুপিয়ে দীপংকর তঞ্চঙ্গ্যা (৩০) ও সহোদর ভাই শ্রীকান্ত (২০) তঞ্চঙ্গ্যাকে হত্যা করে। এছাড়া তাদের বড়বোন সোনাবালা তঞ্চঙ্গ্যা (৩৭) ও তার ছেলে প্রশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা (১২) এ দু’জনকেও কোপিয়ে জখম করে। যারা আজও চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..