• শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:৪২ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের একটি হাত রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৩৬ বার পঠিত
অনলাইন ছবি

অনলাইন ডেক্স-
#প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে #জিয়াউর রহমানের একটি হাত রয়েছে। আমরা সব সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে বিশ্বাসী। আমাদের দেশে থেকে অন্য দেশ কোনো রকম সমস্যার সৃষ্টি করুক বা কোনো রকমের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাক বা কোনো রকম গোলমাল করুক সেটা আমরা কখনো #আমাদের দেশে স্থান দেইনি, দেব না।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে আজ প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তরিকত ফেডারেশনের সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় প্রশ্নকর্তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরও জানতে চান, আন্দোলন-নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি-জামায়াত জোটসহ একটি বিশেষ মহল রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে একটি বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সরকারের কঠোর নীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ সব সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারোর সঙ্গে বৈরিতা নয়- এই নীতিতে আমরা বিশ্বাস করি। বাংলাদেশের মাটিকে আমরা কাউকে ব্যবহার করতে দেব না।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীন ও ভারত একমত
সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, চীন সফরের সময় এবং ভারত সফরের সময় এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছে, তারা চেষ্টা করছে। শুধু ভারত বা চীনই নয়, মিয়ানমারের সঙ্গে যেসব দেশের স্থলসীমানা রয়েছে, ভারত-চীন-থাইল্যান্ড-লাওস- সেসব দেশের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। রোহিঙ্গা ইস্যুটি দ্রুত সমাধান হওয়া উচিত, এ ব্যাপারে সবাই একমত পোষণ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মিয়ানমার রাজি হয়েছে এবং একটি চুক্তিও করেছে। কিন্তু একটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে যে, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গারা দেশটিতে ফেরত যেতে চাচ্ছে না। এটি এখন মিয়ানমান সরকারের ওপরই নির্ভর করছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া তাদের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) ফেরত যাওয়ার পর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ থাকবে সেই বিশ্বাসটি আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে সৃষ্টি করা তাদেরই (মিয়ানমার) দায়িত্ব।

 

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..