• বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন

খুলনা ছাত্রলীগের নেতৃত্বের দৌড়ে আলোচনায় যারা

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১২১১ বার পঠিত

মো: মাসুদ রানা, খুলনা ব্যুরো:
মেয়াদ উত্তীর্ণ নগর ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক চলে যাচ্ছেন যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্বে। এ অবস্থায় নগর ছাত্রলীগের নেতৃত্বে অর্থাৎ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কারা হচ্ছেন, এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা খোদ তৃণমূলে। এছাড়া মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীর তালিকা একেবারে কম নয়।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ দু’টি পদের জন্য এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই বর্তমান নগর কমিটির বিভিন্ন পদে রয়েছেন। এছাড়া থানা ও কলেজ পর্যায়ের ছাত্রলীগ নেতারা রয়েছেন এ তালিকায়।

এদিকে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আসতে আগ্রহী ও আলোচনায় রয়েছেন অনেকে। এদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান নগর কমিটির সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান বাবু ও সজল বাড়ৈ, যুগ্ম-সম্পাদক আলীমুল জিয়া ও সোহান হোসেন শাওন, সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুম্মন আহম্মেদ, নগরের সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক এস এম রাজু হোসেন, বিএল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নিশাদ ফেরদাউস অনি, নগরের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আহানাফ ইসলাম অর্পণ ও যুগ্ম-সম্পাদক ইবনুল হাসান, নগর সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান রাজেশ, উপ-প্রচার সম্পাদক মশিউর রহমান বাদশা, খালিশপুর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান সোহাগ।

ছাত্রলীগের নগর, বিভিন্ন থানা ও কলেজ সংসদের নেতা-কর্মীদের সাথে আলোচনা করে জানা গেছে, বর্তমান সভাপতি শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন যুবলীগের নগর রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে। তিনি যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক পদও পেয়েছে। তাছাড়া সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল যাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্বে। তারা দু’জনই ক্লীন ইমেজের ছাত্রনেতা বলে দাবি তৃণমূলে। এ অবস্থায় নগর ছাত্রলীগের নেতৃত্বে অর্থাৎ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কারা হচ্ছেন, এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা খোদ তৃণমূলে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৮ জুন শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন সভাপতি ও এস এম আসাদুজ্জামান রাসেলকে সাধারণ সম্পাদক করে নগর ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্র। এরপর ২২১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। গঠণতন্ত্র অনুযায়ী ৩ বছরের মেয়াদের এ কমিটির ১ বছর সময় অতিরিক্ত হয়েছে। অর্থাৎ ২০১৮ সালের জুনে বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল বলেন, প্রিয় সংগঠন ছাত্রলীগ যাতে যোগ্য নেতৃত্বে সামনে এগিয়ে চলে এ প্রত্যাশা থাকবে। এ বিষয়ে আমাদের যা যা করণীয় তা করবো। এছাড়া ছাত্রলীগের সম্মেলনের জন্য সকল কাউন্সিলর কমিটিগুলো দ্রুত প্রস্তুত করার জন্য চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বের বিষয়ে বর্তমান সভাপতি শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন বলেন, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দাবির বিষয়টি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনার মাধ্যমে ক্লীন ইমেজের ছাত্রনেতাদের হাতেই আগামীতে নগর ছাত্রলীগের দায়িত্ব দেয়া হবে। সম্মেলনের মাধ্যমেই আগামীতে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা তাদের যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিবেন। আগামী একমাসের মধ্যে নগর ছাত্রলীগের অধিনস্থ সকল থানা, কলেজ সংসদ ও ওয়ার্ডের পুর্ণাঙ্গ কমিটি প্রস্তুত করা হবে বলেও জানান তিনি।

 

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..