• বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন

ডিজিটাল জীবনমান সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান তলানিতে

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৬

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

বিশ্বে ডিজিটাল জীবনমান সূচকে ১১০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩ এ। বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে নেপালের অবস্থান ৮৭তম এবং এশিয়ায় ২৪। এর ঠিক পরের অবস্থানেই রয়েছে শ্রীলংকা।

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান সবার নিচে। এশিয়ার ৩২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩০ এ। বাংলাদেশের পরে রয়েছে তাজিকিস্তান (১০৪) ও কম্বোডিয়া (১০৯)।

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সার্ফশার্কের সাম্প্রতিক ‘ডিজিটাল কোয়ালিটি অব লাইফ ইনডেক্স ২০২১’ জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ এশিয়া থেকে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা ও বাংলাদেশের ডিজিটাল জীবনমানের ওপর জরিপ চালিয়েছে।

তালিকা মতে, বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে ৫৯তম অবস্থান নিয়ে ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে রয়েছে। পাশাপাশি, এশিয়ার ৩২টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ১৭।

একই তালিকায় পাকিস্তানের বৈশ্বিক অবস্থান ৯৭ এবং এশিয়ায় ২৮।

বৈশ্বিক জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ বসবাস করে এমন ১১০টি দেশের ডিজিটাল জীবনমানের ওপর এ জরিপ চালানো হয়েছে।

তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্ক। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ফিনল্যান্ড, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।

তালিকায় সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে ইরিত্রিয়া।

ডিজিটাল মান, ইন্টারনেট কেনার সামর্থ্য, ইন্টারনেটের মান, ই-অবকাঠামো, ই-নিরাপত্তা ও ই-সরকারকে মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে এ জরিপ করা হয়েছে বলে সার্ফশার্কের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশে ফাইভজি সেবা চালু করা হবে।

নিউইয়র্কে বিজনেস রাউন্ড টেবিলে তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের শেষ নাগাদ পরীক্ষামূলকভাবে আমাদের ফাইভজি প্রযুক্তি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু সরকার শেষ প্রান্তের মানুষের কাছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ সে হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতা ও ব্যান্ডউইথের ঘাটতিও নেই। বলেন, আমাদের প্রচুর সক্ষমতা ও অপটিকাল ফাইবার রয়েছে। বলেন, শেষ প্রান্তের ব্যবহারকারীরা ফিক্সড লাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। তারা মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।

এ জন্য আমরা স্পেকট্রাম ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা ঘাটতির চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছি। ঘন জনবসতির কারণে আমাদের ব্যাপক জায়গায় এই সংযোগ দিতে হবে এবং অতিরিক্ত সংযোগ নিলামের মাধ্যমে দিতে হবে। আর এ জন্য আমরা মোবাইল অপারেটরদের জন্য অধিক স্পেকট্রাম অবাধ করে দিচ্ছি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..