• মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে চলছে অনলাইন জুয়া!

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১২

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

ব্যবহারকারী মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাঠায় লোকাল এজেন্টকে। তার কাছ থেকে মাস্টার এজেন্ট। পরে সুপার এজেন্টের হাত হয়ে টাকা চলে যায় দেশের বাইরে থাকা সুপার অ্যাডমিনের কাছে। অনলাইন জুয়ার নেশায় মত্ত হয়ে লাখ লাখ টাকা খোয়াচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। এমন একটি চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে চলছে অনলাইন জুয়া!

অনলাইন জুয়ার আসর নাইন উইকেটস ডট কম, বেট থ্রি সিক্সটি ফাইভসহ আরও নানান গেটওয়ে। শুরুটা ইমেইল দিয়ে নিবন্ধনের মাধ্যমে। তারপর শুরু হয় জুয়া।

অনলাইন জুয়া চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন তাদের বিস্তৃত নেটওয়ার্কটি সম্পর্কে। জুয়ার রাজ্যে এরা কেউ মাস্টার এজেন্ট, কেউ সুপার কারও পরিচয় লোকাল এজেন্ট হিসেবে।

গ্রেপ্তার হওয়া একজন বলেন, ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট দিতে হয় আমার একটি আইডি লাগবে। তখন এডমিন তাকে এজেন্টের সন্ধান দেয়। এরপর এজেন্টের মাধ্যমে আইডি খুলে খেলা শুরু করতে হয়।

এই জুয়ায় অংশ নিতে লাগে পিবিইউ বা পার বেটিং ইউনিট। এক ইউনিটের দাম একশ থেকে দুইশো টাকা। নিবন্ধনের পর ব্যবহারকারী মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা দেয় লোকাল এজেন্টকে। তার কাছ থেকে টাকা যায় মাস্টার এজেন্টের কাছে। পরে সুপার এজেন্টের হাত হয়ে টাকা চলে যায় দেশের বাইরে থাকা সুপার অ্যাডমিনের কাছে। ফিরতি পথে পিবিইউ পৌঁছায় ব্যবহারকারীর হাতে।

গোয়েন্দা পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার এইচ এম আজিমুল হক বলেন, পয়েন্ট অনুযায়ি সাব এজেন্ট মূল এজেন্ট থেকে এসব কিনে নেয়। তাদের মধ্যেই অনেক এজেন্ট রয়েছে। এভাবেই তারা সার্কেল করে খেলাটা চালিয়ে যায়।

পুলিশ বলছে, ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই তরুণ। অনলাইন জুয়া ছড়িয়ে গেছে মফস্বলেও।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, ছাত্র থেকে শুরু করে অনেকেই এখন এই অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িত। তারা বিভিন্ন বিষয়ে জুয়া খেলছে ও বাজি ধরছে।

ধরা পড়া চক্রটির মূল হোতাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে গোয়েন্দারা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..