• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

নীতি-নির্ধারকদের কানে আদৌ পৌঁছে নদীভাঙনের শব্দ

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২০

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

নদীতে ঢলের পানি কমতে শুরু করলেও তীব্র ভাঙন আতঙ্কে লালমনিরহাটের তিস্তা পাড়ের মানুষ। গত কয়েক দিনে তিস্তার পেটে গেছে জেলার ৩০টি বাড়ি আর ৩০ থেকে ৪০ একর ফসলি জমি।

ভাঙা-গড়ার খেলায় নিঃস্ব হচ্ছে নদী পাড়ের মানুষ। এক জীবনে ১০ থেকে ১২বার নতুন বসতি গড়ে আর কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারছে না তিস্তা পাড়ের মানুষ। এবারের বন্যা-পরবর্তী ভাঙনে ঘর-দুয়ার হারিয়ে পথে বসেছে ৫শ’র বেশি পরিবার।

লালমনিরহাট সদরের গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, নদীঘেঁষে চর গোকুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়, চর গোকুন্ডা প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর যাতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয় সে পদক্ষেপ নিয়েছি।

নদীভাঙনের শব্দ পৌঁছায় না শহরে নীতি-নির্ধারণী মহলে। প্রতিদিন তিলে তিলে গড়া সংসারের মানুষ আশ্রয়হীন ছিন্নমূলে পরিণত হচ্ছে। তার সঠিক পরিসংখ্যানও খুঁজে পাওয়া যায় না।

লালমনিরহাট তিস্তা বাঁচাও-নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি শফিকুল ইসলাম কানু বলেন, এই লালমনিরহাট জেলা গত ১০ বছরে প্রায় ১০ হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি, ভিটেমাটি ও গাছপালা নদীতে বিলীন হয়েছে। ১ হাজার ৫০০ হেক্টর আবাদি জমিও নদীগর্ভে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তিস্তার গ্রাসে ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে তা রোধ হবে বলে জানালেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে আমরা আশা করছি তিস্তা নদীর তীরে শুধু লালমনিরহাট জেলা না নদী তীরবর্তী সকল জেলায় ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান হবে।

গত এক দশকে জেলার ৩টি উপজেলার অন্তত এক হাজার হেক্টর ফসলি জমি, মানুষের ঘরবাড়ি, হাট-বাজার, ধর্মীয়-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..