• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:২৬ অপরাহ্ন

আইনের ডিগ্রি ছাড়াই আইন স্কুলের ডিন!

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১
  • ২৬

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

আইন শিক্ষার প্রতিষ্ঠান, অথচ সেখানেই নিয়মবহির্ভূত কাজের অভিযোগ উঠছে ভারতের চতুর্থ সেরা আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
আইনের ডিগ্রি ছাড়াই আইন স্কুলের ডিন!

আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, যিনি খড়গপুর আইআইটির ‘রাজীব গাঁধী স্কুল অব ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি ল’ এর ডিন, আইনের ডিগ্রিই নেই তার। তিনি ওই আইআইটির ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক। এই নিয়ে আপত্তি উঠলেও আইআইটি কর্তৃপক্ষ এখনও তাতে কর্ণপাত করেনি।

পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান নির্ধারণ করে যারা, সেই কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাংকিং ফ্রেমওয়ার্কের সর্বশেষ রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ভারতের আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে খড়গপুর আইআইটির এই স্কুল রয়েছে চতুর্থ স্থানে।

ফলে প্রশ্ন উঠেছে, যিনি এই উচ্চ মানের আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডিন, তার আইনের ডিগ্রি থাকবে না কেন? শুধু ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রির ভিত্তিতেই কি তিনি আইন স্কুলের ডিনের পদে থাকতে পারেন? এতে বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া এবং ইউজিসির বিধিভঙ্গ হচ্ছে বলেও অভিযোগ দেশটির শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

প্রযুক্তির ওই শিক্ষককে গত বছর জুনে আইন স্কুলের ডিন পদে নিয়োগ করা হয়। এই বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে গত বছরের জুলাইয়ে আইআইটি খড়গপুর কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ, এখনও তিনিই ডিন আছেন। দেশের আইন শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথ ভাবে চলছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার।

কাউন্সিলের সচিব চিঠিতে খড়গপুর আইআইটির কর্মকর্তা বীরেন্দ্রকুমার তিওয়ারিকে জানান, ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষককে ওই আইন স্কুলের ডিন হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ। ভারতের সব আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ডিনের আইনের ডিগ্রি থাকা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সেই নিয়মবিধিকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে বলেও আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়।

আইআইটি খড়গপুরের রেজিস্ট্রার তমাল নাথের বরাত দিয়ে পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, আইন স্কুলের ডিন আগে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস সেলের দায়িত্বে ছিলেন। পরে তিনি ডিনের দায়িত্বে আসেন। বলেন, ‘ডিনের পদ প্রশাসনিক। উনি তো আইনের ছাত্রছাত্রীদের পড়াচ্ছেন না।’

তিনি আরও জানান, সাধারণ আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আইআইটির সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। আইআইটির কর্মকর্তাই এই আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান। তারও আইনের ডিগ্রি নেই।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..