• মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন

এভাবে মা ও ভাতিজার মৃত্যু সহ্য করতে পারছি না’

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৩২

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে নৌকাডুবির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দাদি ও নাতি। উপজেলার তিতাস নদের লইছকা বিল এলাকা থেকে তোলা

চার বছর বয়সী নাতি সাজিদ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে পাতানো বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন ঝর্ণা বেগম (৬৫)। তবে বেড়ানো শেষে তাঁরা আর বাড়িতে ফিরতে পারেননি। গতকাল শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে তিতাস নদে নৌকাডুবিতে তাঁদের মৃত্যু হয়।

এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত যে ২১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে দাদি-নাতির লাশও আছে। ঝর্ণা ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামগোলপুর ইউনিয়নের খোকন মিয়ার স্ত্রী। ছোট ছেলে শাওন মিয়ার শিশুছেলে সাজিদকে সঙ্গে নিয়ে গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের চম্পকনগরে পাতানো বোন জরিনা বেগমের বাড়িতে বেড়াতে যান তিনি। বেড়ানো শেষে গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার চম্পকনগর ঘাট থেকে নৌকায় ওঠেন ঝর্ণা। পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যু হয় তাঁদের।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঝর্ণার লাশ উদ্ধারের পর বোরকার পকেট থেকে একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। তবে পানি ঢুকে মুঠোফোনটি বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন মুঠোফোনের সিম কার্ডটি খুলে অন্য আরেকটি মুঠোফোনে ঢোকান। সিম কার্ডে রক্ষিত একটি নম্বরে পুলিশ কল করলে সেটি ধরেন তাঁর ছেলে মো. নীরব। এভাবে লাশের পরিচয় শনাক্ত হয়। পরে তাঁরা লাশ নিতে রাতেই দুর্ঘটনাস্থলে আসেন।

মৃতের মেয়ে ময়না বেগম বলেন, ‘একসঙ্গে দুটি মৃত্যু দেখতে হবে, কোনো দিন ভাবিনি। এভাবে মা ও ভাতিজার মৃত্যু সহ্য করতে পারছি না।’

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..