• বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন

সংক্রমণ যেন না বাড়ে সেজন্য সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে:নীলফামারীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১
  • ২৩

বিশেষ প্রতিনিধি॥ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারী হাসপাতাল গুলোতে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)অধ্যাপক এ বি এম খুরশীদ আলম চারদিনের সরকারি সফরে উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগে এসেছেন। তিনি এই বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল গুলো পরিদর্শন শুরু করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২৬ আগষ্ট) সন্ধ্যায় তিনি ঢাকা থেকে নীলফামারী আসেন। ওই দিন রাতেই তিনি নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন ও চিকিৎসক ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।

শুক্রবার(২৭ আগস্ট) সকালে তিনি নীলফামারী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য অফিস পরিদর্শনের মাধ্যমে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন লাইন ডাইরেক্টর সিডিসি অধ্যাপক ডাঃ নাজমুল ইসলাম , লাইন ডাইরেক্টর এমআইএস অধ্যাপক ডাঃ মিজানুর রহমান, ডিডি(এমআইএস)ডাঃ জসীমউদ্দিন ,ঢাকার সিভিল সার্জন, ডাঃ মইনুল আহসান বাপ্পি ও নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর কবির সহ অনেকেই। এরপর তিনি নীলফামারীর ডোমার উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম ও তিনবিঘা অতিক্রম করে সাবেক ছিটমহলে স্থাপিত আঙরপোতা ৫০ শয্যা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তিনি চারদিনের সফরে কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়,লালমরিহাট, রংপুর ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর জেলার হাসপাতালগুলো পরিদর্শন ও স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বলে জানা গেছে।সফর কালে খুরশীদ আলম বলেন,মহামারি করোনা সংক্রমণ আর যেন না বাড়ে সেজন্য ছোট-বড় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। আমরা প্রথম ঢেউ অতিক্রম শেষে এখন দ্বিতীয় ঢেউ অতিক্রম করছি। এটি সামাল দিতে সারা দেশে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় আমাদের সকল স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলস ভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে চলেছেন। বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের করোনা ভ্যাকসিন প্রদানে সরকার ভ্যাকসিন আমদানী অব্যাহত রেখেছেন। এখন ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরাও করোনার টিকা নিতে পারবেন। করোনার টিকা নিবন্ধনের জন্য সুরা অ্যাপেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, করোনার তৃতীয় ঢেউ প্রতিরোধ করতে আমাদের সজাগ থাকতে হবে।মনে রাখতে হবে তৃতীয় ঢেউয়ে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলে সামাল দেয়া কঠিন হতে পারে। বর্তমানে দেশে সংক্রমন ও মৃত্যু কমে এসেছে। আমাদের এ জন্য বেশী বেশী সজাগ হতে হবে।বিশেষ করে এখন বর্ষার মৌসুম। অনেকেই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলেও সাধারণ সর্দি-জ্বর বা কাশিতে আক্রান্ত বলে ধারনা করে পরীক্ষা করাচ্ছেন না বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন না। আমরা মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে মাইকিং করার পরামর্শ দিয়েছি। বাড়ি বাড়ি রোগীর খোঁজ রাখতে বলেছি। সরকারি নির্দেশনা যারা মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া আছে। সচেতনতা সৃষ্টির জন্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সারাদেশে প্রচারণা কাযর্ক্রম চালিয়ে যাবে। সফরকালে তিনি নীলফামারীতে বিভিন্ন প্রকার বৃক্ষ রোপন করেন

সুজন মহিনুল, বিশেষ প্রতিনিধি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..