• মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন

পিরোজপুরে মাল্টা চাষে ঝুঁকছে বেকার যুবকরা

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১
  • ২৬

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

পিরোজপুরে মাল্টা চাষে সফলতা পাচ্ছেন অনেকে। শখের বশে তৈরি হওয়া একটি বাগান থেকে ১৪ বছরের ব্যবধানে শ’খানেক উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে এ জেলায়।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, পরামর্শ, সহায়তা ও ঋণসহ নানা প্রণোদনা পেলে মাল্টা চাষে এগিয়ে আসবেন অনেকেই।

একসময়ের শখের মাল্টা এখন অনেক কৃষিপ্রেমী আর বেকার যুবকের আয়ের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০০৭ সালে পিরোজপুরে মাল্টা চাষ শুরু করেন সদর উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের স্কুলশিক্ষক অমলেশ রায়।

প্রায় তিন একর জমিতে পাকিস্তানি, ভারতীয় ও থাই জাতের চারা রোপণ করেন তিনি। সব জাতের মাল্টা রসালো এবং মিষ্টি হওয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয় এলাকায়। প্রথমবারেই আসে সফলতা।

মাল্টা চাষি অমলেশ রায় বলেন, এটি একটি লাভজনক চাষ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমি এর চাষ বৃদ্ধি করি।

শুরুর দিকে আবাদি জমির পরিমাণ কম থাকলেও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে মাল্টার চাষ। ফলে একদিকে যেমন বাড়তে থাকে চাষির সংখ্যা অন্যদিকে বাড়ে কর্মসংস্থান। বর্তমানে জেলার সব উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে মাল্টার।

স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে মাল্টা পাঠানো হচ্ছে ঢাকা, খুলনাসহ দেশের অন্যান্য জেলায়। কৃষিবিদরা জানান, করোনার কারণে ভিটামিন ‘সি’ জাতীয় ফলের চাহিদা বেশি থাকায় এবং আমদানি করা মাল্টার চেয়ে দামে কম ও বেশি সুস্বাদু হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে এর বেশ চাহিদা রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ভালো দামও পাচ্ছেন তারা। প্রতি কেজি মাল্টা বাগান থেকে পাইকারি বিক্রি হয় ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং খুচরা বাজারে যা বিক্রি হয় ৯০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত।

পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের পরিকল্পনা হলো এই মাল্টাটা পিরোজপুরের একটি ব্র্যান্ড হিসেবে দক্ষিণাঞ্চলের অন্যান্য জেলাগুলোতে আমরা ছড়িয়ে দেব।

জেলার ৭টি উপজেলায় ৯৯২টি বাগানে এ বছর ১২৭ হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হয়েছে। তবে পিরোজপুর সদর ও নেছারাবাদ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি মাল্টা বাগান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..