• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

বরিশালে হামলা–সংঘর্ষের দুই মামলায় নয় আসামির জামিন

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১
  • ২৭

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

বরিশালে ১৮ আগস্ট ইউএনওর বাসভবন ও উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে হামলা ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মামলায় নয়জন আসামি জামিন পেয়েছেন। ওই নয়জনই পুলিশের করা মামলার আসামি। তাঁদের মধ্যে তিনজন আবার ইউএনও মুনিবুর রহমানের দায়ের করা মামলারও আসামি।

বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহ আজ বুধবার বেলা দেড়টার দিকে এ আদেশ দেন। আদালতের জেনারেল রেজিস্ট্রার (জিআরও) খোকন চন্দ্র দে বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৮ আগস্টের ঘটনায় দায়ের হওয়া দুটি মামলায় গ্রেপ্তার ২১ আসামির পক্ষে আজ সকালে জামিনের আবেদন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী তালুকদার মো. ইউনুস ও রফিকুল ইসলাম ঝন্টু। পরে বিচারক জামিন আবেদনের শুনানি করেন। শুনানি শেষে দুটি মামলায় ১২ জনের জামিনের আদেশ দেন।

পুলিশের দায়ের করা মামলায় জামিন পাওয়া নয়জন হলেন ইকতিয়ার উদ্দীন, আবদুস সালাম, মমিন উদ্দীন, কবির তালুকদার, হুমায়ুন হাওয়াদার, ইলিয়াস, জমির উদ্দীন, আলো গাজী ও নাসির উদ্দীন। এই নয়জনের মধ্যে ইকতিয়ার উদ্দীন, আবদুস সালাম ও আলো গাজী ইউএনওর মামলায়ও জামিন পেয়েছেন

আসামিপক্ষের আইনজীবী তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, ‘আমরা ২১ জনের জামিন আবেদন করেছিলাম। এর মধ্যে দুটি মামলায় ১২ জনের জামিন দিয়েছেন আদালত। বাকি আসামিদের জামিনের ব্যাপারে পুনরায় আবেদন করা হবে।’

বরিশাল নগরের সিঅ্যান্ডবি সড়কে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে থাকা শোক দিবসের ব্যানার অপসারণকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ১৮ আগস্ট রাতভর সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইউএনওর সরকারি বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটে।

ইউএনও মুনিবুর রহমানের অভিযোগ, উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শোক দিবস উপলক্ষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুকের ব্যানার ও পোস্টার লাগানো ছিল। রাতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সেগুলো ছিঁড়তে আসেন। রাতে লোকজন ঘুমাচ্ছেন জানিয়ে তাঁদের সকালে আসতে বলা হয়। এ কারণে তাঁরা গালিগালাজ করেন। ইউএনওর বাসায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে হামলা চালান। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

১৯ আগস্ট ইউএনও মুনিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন। এতে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া ৭০ থেকে ৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। এদিকে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহজালাল মল্লিক পৃথক মামলা করেন। দুটি মামলায় বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে প্রধান আসামি করা হয়। এই দুটি মামলায় ওই ২১ জন গ্রেপ্তার হন।আসামিপক্ষের আইনজীবী তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, ‘আমরা ২১ জনের জামিন আবেদন করেছিলাম। এর মধ্যে দুটি মামলায় ১২ জনের জামিন দিয়েছেন আদালত। বাকি আসামিদের জামিনের ব্যাপারে পুনরায় আবেদন করা হবে।’

বরিশাল নগরের সিঅ্যান্ডবি সড়কে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে থাকা শোক দিবসের ব্যানার অপসারণকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ১৮ আগস্ট রাতভর সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইউএনওর সরকারি বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটে।

ইউএনও মুনিবুর রহমানের অভিযোগ, উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শোক দিবস উপলক্ষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুকের ব্যানার ও পোস্টার লাগানো ছিল। রাতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সেগুলো ছিঁড়তে আসেন। রাতে লোকজন ঘুমাচ্ছেন জানিয়ে তাঁদের সকালে আসতে বলা হয়। এ কারণে তাঁরা গালিগালাজ করেন। ইউএনওর বাসায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে হামলা চালান। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

১৯ আগস্ট ইউএনও মুনিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন। এতে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া ৭০ থেকে ৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। এদিকে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহজালাল মল্লিক পৃথক মামলা করেন। দুটি মামলায় বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে প্রধান আসামি করা হয়। এই দুটি মামলায় ওই ২১ জন গ্রেপ্তার হন।

গত রোববার রাতে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবনে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমঝোতা বৈঠক হয়। বৈঠকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা দুটি মামলা আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..