• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

কঠোর নিরাপত্তায় কাবুল ছাড়ছেন মার্কিন সেনারা

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২০ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৬

আফগানিস্তান থেকে মার্কিনিদের সরিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের যে অভিযান অব্যাহত আছে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাবুলের আকাশে মার্কিন যুদ্ধবিমান টহল দিচ্ছে।

তালেবানরা ক্ষমতা দখলের পর কাবুল বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাচ্ছে মার্কিন বাহিনী।

পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো কাবুল শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। যেকোনো হুমকি থেকে আমাদের লোকজনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো কাজ করছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনী নিজেদের অশুভ স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে আফগান জনগণের ওপর যে সীমাহীন দুঃখ-কষ্ট চাপিয়ে দিয়েছে সেজন্য তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের বিদায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ।

বুধবার (১৮ আগস্ট) টুইটার দেওয়া এক পোস্টে জারিফ বলেন, আফগানিস্তানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের যে অজুহাত তুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তানে এসেছিল সে দু’টি উদ্দেশ্যই চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

ইরানের বিদায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ২০ বছরে আফগানিস্তানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতির কারণে যেসব মানুষ হতাহত হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

আরও পড়ুন: তালেবানে সবচেয়ে বিপদে পড়তে পারে ভারত

প্রায় দুই দশক আগে আফগানিস্তানে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী যুদ্ধ এবং দেশটির সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার অজুহাতে দেশটি দখল করে মার্কিন বাহিনী।

কিন্তু ২০ বছরেও তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি বরং তালেবানের অগ্রাভিযানের মুখে মার্কিন সেনারা অত্যন্ত অপমানজনক অবস্থায় দেশটি ত্যাগ করছে।

গত ১৫ আগস্ট তালেবান রাজধানী কাবুল দখল করার পর যুক্তরাষ্ট্র তার অবশিষ্ট সৈন্য ও কূটনীতিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন করে কয়েক হাজার সেনা পাঠিয়েছে।

এসব সেনা কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে আসার সাহস পাননি বরং বিমানবন্দরে চরম বিপর্যয়কর ও ঠাসাঠাসি অবস্থার মধ্যে তাদের কাজ করতে হচ্ছে।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির হিসাবে, ২০০১ সাল থেকে আফগানিস্তানে ২.২৬ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

তালেবানরা আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষ হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করছে। এরপর তালেবান সদস্যরা রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করে। আর প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি দেশত্যাগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..