• মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

ফুলপুরে গণটিকা কার্যক্রম ব্যাপক সাড়া পড়েছে

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৫২

মিজানুর রহমান
ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে করোনার গণটিকা কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।১০ টি টিকাদান কেন্দ্রেই ছিল মানুষের উপচেপড়া ভিড়। সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেছেন টিকার জন্য। শনিবার সকাল ৯টা থেকে এক এক করে টিকা গ্রহন করেন তারা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন। সবার হাতে হাতে ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি। দেখে মনে হবে কোনো জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিতে এসেছেন ভোটাররা। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নিজেদের শরীরে এন্টিবড়ি তৈরীতে করোনার গণটিকা নিতেই এই দীর্ঘ লাইন।বেলা বারার সাথে সাথে টিকা কেন্দ্র গুলোতে টিকা প্রদানের আগ্রহী বৃদ্ধ ও মধ্য বয়সী নারীপুরুষের সংখ্যা বাড়তে থাকে । ইউনিয়ন পরিষদ, স্কাউট, কালের কণ্ঠ শুভ সংঘ, প্রেসক্লাব সহ স্থানীয় বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের টেবিলের সামনে দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। শুভ সংঘসহ এসব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিনামূল্যে করোনা টিকার নিবন্ধন করে দিচ্ছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কার্যক্রম চলেছে বিকাল ৩টা পর্যন্ত। ফুলপুর উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে প্রথম দিন প্রায় ৬ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রতি ইউনিয়নে ৬শ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে অনেকেই নিবন্ধন জটিলতায় টিকা দিতে পারেননি আজ।

গণটিকা কার্যক্রম চলাকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কান্তি বসাক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা আক্তার ববিসহ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।কেন্দ্রে টিকা নিতে আসা কয়েকজন বলেন, ‘গণটিকা নিতে এসে আমি খুবই খুশি। কারণ করোনা যেভাবে মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে তা ভাবতেই অবাক লাগে। অদৃশ্য এই শক্তিকে মোবাবেলা করে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হোক এজন্যই পরিবারের ২৫ বছরের উর্ধ্বে যারা রয়েছেন তাদের সবাইকে কেন্দ্রে নিয়ে এসেছি টিকা দিতে।ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার বলেন, ফুলপুর উপজেলায় ১০ টি ইউনিয়ন। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে টিকাদান কেন্দ্র রয়েছে। প্রতি কেন্দ্রে ৬০০ জন টিকা নিতে পারবেন। টিকাদানে প্রতি বুথে একটি করে টিম কাজ করছে। প্রতি টিমে ভ্যাক্সিনেটর (টিকাদান কর্মী) ও স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত আছেন। পর্যায়ক্রমে সকলকে টিকার আওতায় আনা হবে । তিনি গণটিকা কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..