• মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন

ভয়ংকর ল্যামডার কবলে জাপান

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৯

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

পেরুর করোনাভাইরাসের ধরন ল্যামডা এবার জাপানে থাবা বসিয়েছে। গত শুক্রবার (৬ আগস্ট) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ল্যামডায় আক্রান্ত প্রথম রোগীর কথা জানায়।

জাপান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ল্যামডা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছেন একজন নারী। তার বয়স ৩০ বছর। তিনি গত ২০ জুলাই পেরু থেকে জাপানের হানেদা এয়ারপোর্টে পৌঁছান।
তিনি এয়ারপোর্টে কোয়ারেন্টাইন থাকা অবস্থায় করোনায় পজিটিভ হন। কিন্তু করোনার কোনো লক্ষণই তার মধ্যে ছিল না।

ভাইরাসটি যে ‘ল্যামডা’ তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত করেছে দেশটির ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ইনফেকসিয়াস ডিজিসিস।
সংস্থাটির জানায়, ২০২০ সালের আগস্টে ল্যামডা ভ্যারিয়েন্ট পেরুতে শনাক্ত করা হয়। এরপর তা দক্ষিণ আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে।
তবে এটি অন্য ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে বেশ সংক্রামক ও শক্তিশালী। ল্যামডা ভ্যাকসিনেও টিকে থাকতে পারে। কিন্তু এটি সম্পর্কে আরও তথ্য জানা বাকি।

এরইমধ্যে করোনার আরেক ধরন ডেল্টার তাণ্ডবে পুরো বিশ্ব বিপর্যস্ত। নতুন করে ল্যামডা পুরো বিশ্বে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) জাপানে গত জুনের তুলনায় কোভিড আক্রান্ত রেকর্ডসংখ্যক গুরুতর রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন।
এর আগে বুধবার (৪ আগস্ট) জাপানের গবেষকরা এ ভ্যারিয়েন্টকে ‘উদ্বেগজনক’ হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এ ভ্যারিয়েন্ট আমাদের জন্য হুমকি হতে যাচ্ছে। আগামীতে এর ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়তে পারে। আমাদের এটা বোঝা উচিত।
অবশ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ ভ্যারিয়েন্টকে ‘কৌতূহল’ হিসেবে দেখেছেন। তখন বিশেষজ্ঞরা এ নতুন ধরনটিকে ততটা গুরুত্ব দেননি। কিন্তু গত কয়েক মাসে ল্যামডা ছড়াতে শুরু করেছে।

জাপানের বিজ্ঞানীরা বলছেন ল্যামডাকে ‘কৌতূহল’ হিসেবে দেখার কোনো অবকাশ নেই। তারা জানিয়েছেন, লাতিন অ্যামেরিকায় পাওয়া এ নতুন সংস্করণ দক্ষিণ আমেরিকাতে তো বটেই, উত্তর আমেরিকাতেও ছড়িয়ে পড়েছে।
গ্লোবার সায়েন্স ইনিশিয়েটিভ সংস্থা জিআইএসএইডের মতে, ল্যামডা দক্ষিণ আমেরিকারের আটটি দেশে ও বিশ্বজুড়ে ৪১টি সংক্রমণ ছড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, কয়েকমাসের মধ্যেই করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে। অথচ বহু দেশ এখনো দ্বিতীয় ঢেউয়ের রেশ কাটিয়ে উঠতে পারেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..