• বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৫ অপরাহ্ন

আম চাষের পরিধি বাড়ছে চুক্তিভিত্তিক

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১
  • ১৬৩

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে বাড়ছে চুক্তিভিত্তিক আম চাষের পরিধি। এ পদ্ধতিতে বছরজুড়ে পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকে ক্রেতা প্রতিষ্ঠান। যা চাষিদের আরও উৎসাহী করে তুলছে। বাড়তি চাহিদা পূরণে প্রতিবছর ১০ শতাংশ করে চাষের আওতা বাড়ানোর দিকেও নজর দিচ্ছেন তারা। তবে চুক্তি দীর্ঘমেয়াদী না করার পরামর্শ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।

যে কারোরই নজর কাড়বে বিস্তীর্ণ বাগানজুড়ে থোকায় থোকায় ঝুলে থাকা নানা জাতের আম। বাগানিদের ব্যস্ততাও বলে দিচ্ছে পরিচর্যা পর্ব শেষে এখন চলছে বাজারজাতকরণ।

চাষিরা জানালেন, এবার ফলন ভালো; বাজারদরও ভালো। তবে কোনো কারণে লোকসানের আশঙ্কা থাকলে, তাদের অন্যতম ভরসা গোদাগাড়িতে গড়ে ওঠা আমজাত খাদ্যপণ্য তৈরির কারখানা। এসব ক্রেতা প্রতিষ্ঠান বছরজুড়েই আমচাষিদের সঙ্গে জড়িত থাকে; কীভাবে নিরাপদ ফলন বাড়ানো যায় তা নিশ্চিতে- নানা কলাকৌশল নিয়ে।

চাষিরা বলেন, আমরা এখন চুক্তিভিত্তিক চাষেই বেশি আগ্রহী। কারণ আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কারিগরি সহায়তাও পাওয়া যায়। যা আমাদের জন্য খুবই দরকারি।

আমজাত পণ্য তৈরির প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংক ও জুসের বাজার ৭শ’ কোটি টাকার। প্রতিবছর এই বাজার বাড়ছে ১০ শতাংশ করে। চাহিদা-যোগান ঠিক রাখতে তাই বাগান সম্প্রসারণে নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, কৃষিবীমা জনপ্রিয় করতে পারলে আরও লাভজনক হবে চুক্তিভিত্তিক এই চাষ পদ্ধতি।

এই অঞ্চলে চুক্তিভিত্তিক আমের চাষ বাড়ছে। কারণ এতে চাষিদের লোকসানের ঝুঁকি যেমন একদিকে কম থাকে তেমনি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় ফলন ভালো হয়। তবে ব্যবসায়ীক এই লাভজনক পদ্ধতিতে চাষিরা যেন প্রতিবছরই দর কষাকষির সুযোগ পান অর্থাৎ ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন জিম্মি না হয়ে পড়েন তা স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারিতে রাখার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..