• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রতারণা গ্রাহক সেজে

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১
  • ২৭১

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

গ্রাহক সেজে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের রেজিস্ট্রার খাতার ভিডিও করে মুহূর্তেই পাঠিয়ে দেওয়া হয় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থানরত মূল প্রতারকদের কাছে। এরপর সেই নম্বরের টাকা স্থানান্তর হয়ে যায় প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে। এভাবে প্রতিদিন সাধারণ মানুষের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।

প্রতারকচক্রের চট্টগ্রামের হোতা হামিদুল বিভিন্ন বিকাশ এজেন্টের কাছে গ্রাহক সেজে যাওয়ার পর একের পর এক রেজিস্ট্রার ভিডিও করছে। আবার সেই ভিডিও মুহূর্তে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে মাগুরাভিত্তিক এই প্রতারকচক্রের গডফাদারদের কাছে।

চট্টগ্রাম থেকে হামিদুলকে আটকের পর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মাগুরায় অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। সেখান থেকে আটক মিঠুন বালাসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা।

সিএমপি উপকমিশনার সালাম কবির বলেন, এজেন্ট সেজে যাইতাম। পরে কাস্টমার সেজে টাকা পাঠাইতাম। তখন নম্বরগুলো তুলে মাগুরায় পাঠিয়ে দিতাম। এর মধ্যে যারা পিন দিত তাদের টাকা চলে আসত। 

মূলত নগরীর শ্রমিক-অধ্যুষিত বন্দর, ইপিজেড এবং পতেঙ্গা এলাকার বাসিন্দারা ছিল এই গ্রুপের মূল টার্গেট। কারণ সহজেই এ অঞ্চলের শ্রমিকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া যায়। পুলিশের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসছে, শুধু মাগুরার গোয়ালদাহ ও গ্রামের ১৩০ জনের বেশি বাসিন্দা এ ধরনের প্রতারণার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

সিএমপি অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ মো. আবদুর রউফ বলেন, প্রতিদিন সে ৪৫-৫০ ভিডিওটা করত এবং পাঠিয়ে দিয়ে ভিডিওগুলো ডিলেট করে দেয়। আমরা তাকে গ্রেপ্তারের সময় তার মোবাইল থেকে ৩৪টি ভিডিও পেয়েছি।

চট্টগ্রামে এই গ্রুপটির আরও ৬ সদস্যকে খুঁজছে পুলিশ। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..