• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:১২ অপরাহ্ন

মহানবী (সা.) কে নিয়ে অসংলগ্ন উদ্ধৃতির বিষয়ে মুখ খুললেন সৌমিত্র শেখর

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৭৪ বার পঠিত

ঢাবি প্রতিবেদক: এবার মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে লেখক ড. সৌমিত্র শেখর এর ‘বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা’ গ্রন্থে একটি উদ্ধৃতি ভুল থাকার বিষয়টি স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি ফেসবুকে কৈফিয়ত স্বরূপ একটি পোস্ট দিয়েছেন। তিনি তার এই পোস্টে ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং এর পেছনে তার অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই বলে জানান। একই সাথে বাজার থেকে ভুল বইগুলো প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

পাঠকদের জ্ঞাতার্থে ড. সৌমিত্র শেখরের পোস্টটি হুবহু দেয়া হল,‘বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা’ গ্রন্থে নবম-দশম শ্রেণির বোর্ডের বই থেকে একটি উদ্ধৃতি তুলতে গিয়ে মারাত্মক ভুল পরিলক্ষিত হচ্ছে। বোর্ডের বইয়ে আছে: তিনি অন্ধকে ঘৃণা করিয়াছেন, কাঙাল বলিয়া তাহাকে হেলা করিয়াছেন, এই কথা কাহারও মনে আসে নাই। ‘সাহিত্য জিজ্ঞাসা’ গ্রন্থে এই বাক্যটি উদ্ধৃতি হিসেবে তুলতে গিয়ে এর শুধু প্রথম অংশ (তিনি অন্ধকে ঘৃণা করিয়াছেন) তোলা হয়েছে এবং তাতে মারাত্মক ভুল অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।

এই অনিচ্ছাকৃত ভ্রান্তির জন্য লেখক হিসেবে আমি দারুণভাবে মর্মাহত। আমার শত শত ছাত্রছাত্রী, হাজার হাজার পাঠক, অসংখ্য শুভানুধ্যায়ীদের কাছে এ ব্যাপারে তাই আমার কৈফিয়ত প্রদান করা জরুরি বলে মনে করি। কারণ আমি সবসময় সত্যধারণ করে শিক্ষকতার পেশায় ছিলাম ও আছি। আমার প্রায় তিন দশকের শিক্ষকতাজীবনে কোনো বইয়ে এমন মারাত্মক ভুল আর ঘটে নি। তাই গত কয়েক দিন ধরে মনস্তাপেও ভুগছি। প্রুফ-দেখার সময় এমন মারাত্মক ভুল ঘটেছে বলে অনুমিত হয়। এটি অসাবধানতার ফল, অন্য কোনো উদ্দেশ্য এতে নেই।

৬৮০ পৃষ্ঠার একটি বইয়ে তিন লক্ষের মতো শব্দের প্রতিটিই সমান মনোযোগ দিয়ে প্রুফ দেখা দরকার অবশ্যই। তারপর আছে বিন্যাস ও অর্থগত দিক। সেটিও দেখতে হয়।কিন্তু এক্ষেত্রে চরম ব্যত্যয় ঘটে গেছে। উদ্ধৃতিটি যথাযথভাবে তোলার ভুলের কারণে এর অর্থবিপর্য়য় ঘটায় যাঁরা মনঃকষ্ট পেয়েছেন আমি তাঁদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি। সবাইকে আমি এও জানাচ্ছি যে, ইতোমধ্যে পূর্বমুদ্রিত বইগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেগুলো সার্বিকভাবে শুদ্ধ না করে বাজারে ছাড়া হবে না। আশাকরি, আমার প্রিয় ছাত্রছাত্রী, বইয়ের পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাবো। সবার মঙ্গল হোক।’

জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে ওই বইয়ের ভুল অংশটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। যেখানে অনেকেই মন্তব্য করেন যে, ড. সৌমিত্র শেখর কৌশলে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে অসম্মান করার চেষ্টা করেছেন।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..