• রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন

এবার বিজেপি ছাড়তে মরিয়া তারা

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১
  • ৮০

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের আগে নেতাকর্মীরা দলে দলে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় বেশ বিপাকেই পড়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। শেষ পর্যন্ত প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ভোটে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো করেছে দলটি। বিধানসভার ২৯২টি আসনের মধ্যে ২১৩টি পেয়ে রাজ্যটিতে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। আর বিজেপি পেয়েছে ৭৭টি আসন।

এরপরেই স্রোত উল্টো বইতে শুরু করেছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতাকর্মীরা এখন তৃণমূলে ফিরে আসতে মরিয়া। গত মার্চে বিজেপিতে যোগ দেন সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য সোনালী গুহা। তিনি তার সাবেক দলে ফিরে আসতে হাঁসফাঁস করছেন। আর ফুটবল খেলোয়াড় থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া দীপেন্দু বিশ্বাস মমতাকে লিখেছেন, ‘আমি আবারও তৃণমূলের পতাকা হাতে নিতে চাই।’

এভাবে সরলা মুর্মু, অমল আচার্য্যসহ অনেকেই মমতার কাছে ফিরে আসতে বেপরোয়া। এমনকি নির্বাচনের সপ্তাহখানেক আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়া রাজিব ব্যানার্জির মতো তৃণমূলের সাবেক মন্ত্রীও ফিরে আসার কথা ভাবছেন।

দলটির মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলেন, কেবল নেতারাই না; বিজেপির বেশ কয়েকজন এমপিও তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।

তবে এ নিয়ে তৃণমূল কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানা গেছে। সুনীল ঘোষ বলেন, দলীয় নেতাকর্মীদের মানসিকতাকে সম্মান দেখাতে হবে। যারা নির্বাচনের আগে দল ছেড়ে গেছেন তাদের বাদ দিয়েই নেতাকর্মীরা রাতদিন পরিশ্রম করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন। 

বিজেপি থেকে সরে আসার গুঞ্জন ওঠা বড় নামগুলোর একটি হচ্ছে মুকুল রায়। তিনি প্রথম দিকে তৃণমূল ছেড়েছিলেন। বিজেপির সমালোচনায় তার ছেলে একটি ফেসবুক পোস্টও দিয়েছেন। যদিও এই রাজনীতিবিদ এখনও নিজে কিছু বলেননি।

তবে মুকুল রায়কে নিয়ে ওঠা গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা সৌম ভট্টাচার্য্য বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসছে বলে একটা ধারণা তৈরি হয়েছিল। তখন তারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। কাজেই এখন যদি আবার ছেড়ে যান, তবে তা হবে হাস্যকর। মানুষ সবই দেখছে। কেন তারা এসেছিল, এখন কেন চলে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..