• রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর রাজারহাটে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। ভোলাহাটে চূড়ান্ত মিনি নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত যশোরে ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় নৌকা মার্কায় ভোট দিন: জাহাঙ্গীর কবির নানক শুমারি তথ্য হাকালুকিতে কমেছে অতিথি পাখি হালদা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের ১২টি নৌকার ইঞ্জিন ধ্বংস রাজশাহী এ্যাডভোকেটস বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয়ে বিএনপি’র অভিনন্দন কুলাউড়ায় ছাত্র ইউনিয়নের সম্মেলন সম্পন্ন ফুলপুরে স্বপ্নযাত্রা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন বিতরন 

সেরা করদাতা: যা বললেন মমতাজ, শাকিব, তাহসান ও মিম

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২১

বাংলারজমিন২৪.কম ডেস্কঃ 

ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সেরা করদাতা হলেন। জনপ্রিয় গায়ক তাহসান খানও তৃতীয়বার সেরা করদাতা হয়েছেন। অন্যদিকে লাক্স তারকাখ্যাত অভিনয়শিল্পী বিদ্যা সিনহা মিমের নাম প্রথমবার করদাতার তালিকায় উঠে এসেছে। লোকগানের জনপ্রিয় গায়িকা ও সাংসদ মমতাজ দ্বিতীয়বারের মতো হয়েছেন সেরা করদাতা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওয়েবসাইট থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এবার চলচ্চিত্র, সংগীত ও টেলিভিশন নাটকের অভিনয়শিল্পী বিভাগে সেরা করদাতা অন্য দুই শিল্পী হলেন রাইসুল ইসলাম আসাদ ও শাহীদ সামাদ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ট্যাক্স কার্ড প্রাপ্তদের তালিকার গেজেট প্রকাশ করেছে। গতবারের মতো এবারও সেরা করদাতার তালিকায় নাম এসেছে শাকিব খান, তাহসান খান ও মমতাজ বেগমের। এ ছাড়া বিনোদন অঙ্গনের আরও তিনজন একই কারণে পাচ্ছেন এবার সেরা করদাতার পুরস্কার।  প্রতিবছরের মতো এ বছরও দেশের সেরা করদাতাদের ট্যাক্স কার্ড ও সম্মাননা প্রদান করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এ বছর সেরা করদাতা হিসেবে ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ট্যাক্স কার্ড দেওয়া হচ্ছে।

গত ২৬ জানুয়ারি এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে এনবিআর। তাতে এই তারকাদের নাম পাওয়া যায়। এতে জানানো হয়, ২০১৯-২০ কর বছরে যোগ্য করদাতা হিসেবে অভিনেতা-অভিনেত্রী বিভাগে ট্যাক্স কার্ড পাচ্ছেন শাকিব খান, মমতাজ বেগম, বিদ্যা সিনহা মিম, তাহসান রহমান খান, শাহীন সামাদ ও রাইসুল ইসলাম আসাদ।

চলচ্চিত্রে দুই দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয় করে চলছেন শাকিব খান। ঢালিউডের সেরা এই নায়ক করদাতা হিসেবে সেরা হওয়ার বিষয়টিকে নাগরিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করছেন। তিনি  বললেন, ‘অনেকে হয়তো ভাবতে পারেন, ক্যারিয়ার হিসেবে চলচ্চিত্র অঙ্গনে ক্যারিয়ার গড়া যায় না। কারণ, শিল্পীদের সাহায্য দরকার হলে যেভাবে ফলাও করে প্রচার হয়, একই ভাবে শিল্পীদের সাফল্যগুলো সেভাবে প্রচার হয়ে ওঠে না।’

চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনয়শিল্পী বলেন, ‘অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজ করে যাঁরা সফল হয়ে আয়কর দিচ্ছেন, চলচ্চিত্রকে পেশা হিসেবে নিয়ে আমরাও একইভাবে আয়কর দিচ্ছি। শিল্পী হিসেবে এটা আমার নিজের জন্য যেমন গর্বের বিষয়, তেমনি আমার অঙ্গনের সবার জন্যও গর্বের। এখানেও ভালো কাজ করে প্রতিষ্ঠা পাওয়া যায় এবং সফল হওয়া সম্ভব। এতে করে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর হবে।’

জনপ্রিয় গায়ক তাহসান বললেন, ‘এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সেরা আয়করদাতা হলাম। কর দেওয়া তো আমার নাগরিক দায়িত্ব। সবটাই সম্ভব হয় ভক্তদের জন্য। গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। গেল বছর করোনার জন্য তেমন কাজ হয়নি। আশা করছি এ বছর আরও কাজ হবে, আরও কর দিতে পারব। যত দিন ভক্তরা আছে, এন্ডোর্সমেন্ট আছে, আয় আছে, কর দেব।’

নাটক, বিজ্ঞাপনচিত্র ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন মিম। তিনি বললেন, ‘যখন থেকে আয় করা শুরু করেছি, কখনোই আয়কর ফাঁকি দিইনি। আমার বাবা একটা কথা সব সময় বলেন, তুমি যদি দুই টাকাও আয় করো, তাহলে বছর শেষে সেটার ওপর অবশ্যই আয়কর দেবে। সচেতন নাগরিক হিসেবে সব সময় আয়কর দেওয়াটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাই যত দিন আয় করে যাব, অল্প হোক বা বেশি হোক—আয়কর দিয়েই যাব।’

লোকগানের জনপ্রিয় শিল্পী ও সাংসদ মমতাজ এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সেরা করদাতা হলেন। বুধবার দুপুরে যখন তাঁর সঙ্গে কথা হচ্ছিল তখন তিনি ফেনী সার্কিট হাউসে অবস্থান করছিলেন।

সেখান থেকে জানালেন, সেরা করদাতা হওয়ার বিষয়টিও অনেক বড় একটি প্রাপ্তি।মমতাজ বললেন, ‘সত্যি বলতে কি, কর দেওয়া তো আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। আমার যা যা দায়িত্ব সবই আমি সুষ্ঠুভাবে পালন করার চেষ্টা করি। করও তেমন একটি। আমি মনে করি প্রত্যেক নাগরিকেরই কর দেওয়ার ব্যাপারে সচেতন হওয়া উচিত। আমি একজন নাগরিক হিসেবে গর্বিত। আমি এখনো টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত গানের জন্য কষ্ট করি, অনেক কষ্ট করে অর্থ উপার্জন করি, তা থেকে একটি অংশ কর দিই।’

জানা যায়, কর কার্ড পাওয়া ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। তাঁদের জন্য বরাদ্দ রাখা হবে বিমানবন্দরে সিআইপি লাউঞ্জ, তারকা হোটেলসহ সব আবাসিক হোটেলে বুকিংয়ে অগ্রাধিকার। পাশাপাশি কর কার্ডধারী নিজে ও তাঁর স্ত্রী বা স্বামী, নির্ভরশীল সন্তানের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার।

থাকছে আকাশ, রেল ও জলপথে সরকারি যানবাহনে টিকিট প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং জাতীয় অনুষ্ঠান, সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..