• সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৪০ অপরাহ্ন

কমলগঞ্জ বিভিন্ন স্থানে জমে উঠেছে জমজমাট জুয়ার আস

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ১০
আলমগীর হোসেন, ক্রাইম রির্পোটার (কমলগঞ্জ) মৌলভীবাজারঃ 

কালীপুজা উপলক্ষে  মৌলভীবাজার কমলগ্জ বিভিন্ন স্থানে জমে উঠেছে জমজমাট জুয়ার আসর। এদের কর্মকাণ্ড দেখলে মনে হবে যেন, একেকটি মিনি ক্যাসিনো।কালিপুজা উপলক্ষে  সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে জান্ডি মুন্ডা তাশ  । সেখানে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা উঠতি বয়সী যুবক থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেন। শুধু তাই নয়, ভয়ঙ্কর বিষয় হলো জুয়ার খড়াল গ্রাসে ডুবে বে-পথে যাচ্ছে স্কুল পড়ুয়া কিশোররাও।

আবার জুয়া খেলার পাশাপাশি চলে রাতভর মাদকসেবন। পুলিশের অভিযান করেও প্রতিকার পাচ্ছেন না চা বাগাননের মানুষ । তবে প্রশাসন বলছে জুয়া ও মাদক নিরাময়ে নিয়মিত টহল দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহীনি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কমলগঞ্জ  উপজেলার আলিনগর, রহিমপুর, মাধপুর,শমশেরনগর সহ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিরাতেই বসে জুয়ার আসর। জুয়ারিরা ঘর-বাড়ি ছাড়াও গোপন ভাবে নির্জন এলাকায় গিয়ে জমিয়ে তুলেন জুয়ার আড্ডা হয়।  ভিবিন্ন  এলাকায় জুয়ার আসর বসে বলে অভিযোগ স্থানীয় লোকজনের।
উপজেলার অধিকাংশ চা বাগানে  বসে জুয়ার আসর। আইনশৃঙ্খলাবাহীনির কঠোরতায় সেখানে জুয়া ও মাদকের সয়লাব হ্রাস ফেলেও এখনও অনেক স্থানে নিরাপদেই বসে জুয়ার আড্ডা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে রাতভর চলে জুয়ার জমজমাট আসর।
উপজেলার প্রতিটি জুয়ার আসরেই বিভিন্ন স্থান থেকে যুবক থেকে শুরু করে মধ্য বয়সীরা পর্যন্ত অশংগ্রহণ করেন।

এ সমস্ত অনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে অনাগত ভবিষ্যৎ। বিভিন্ন স্থানে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও জড়িয়ে পড়ছেন জুয়া ও মাদকের খড়াল গ্রার্সে।

কথা হয় জুয়াড়ি   কুলাউড়া থেকে আগত শরিফুল মিয়া সাথে তিনি বলেন দুই দিনে আমার প্রায় ৩৭০০ টাকা জুযা খেলাতে নষ্ট করেছি কিন্তু ঘরে চাল নিতে পারিনি,  এখন যাবার গাড়ি বাড়াটা নাই, আরেক পর্যায়ে কথা হয় ফেরিওলার নাম মসুদ আলি তিনি শাটের ফিস,পেন্টের ফিস মাথায় করে কমলগঞ্জ ভিবিন্ন চা বাগানেতে বিক্রয় করেন লোভের কারনে যা বেচা কিনা হয়ে ছিলো সব শেষ, তার কারণ জানতে চাইলে  তিনি বলেন প্রথম দিন আলি নগর চা বাগানে জান্ডি,মুন্ডা খেলতে বসলে প্রথমে লাভ হয় পরে পকেট তেকে যেথে যেথে সব শেষ।

এ ব্যাপারে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ি  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি  মোঃ মোশাররফ হোসেন আমরা যখনি খবর পাই তখনি অভিযান করি,

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মোহাম্মদ আশেকুল হক বলেন, ‌‘জুয়াির ধরেত পুলিশ প্রশাসন সব সময় অভিযান চালাচ্ছে। আমাদের এই অভিযান অব্যহত থাকবে

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..