• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন

গোপালগঞ্জের কর্মকারদের হাতে তেমন কোন কাজ নাই

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০
  • ৭৪

সলিল বিশ্বাস মিঠু,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কোরবানির ঈদ সামনে থাকলেও ব্যস্ততা নেই গোপালগঞ্জের কামার পট্টিতে। কোরবানির আগে চাপাতি,ছুরি,দা সহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তৈরী করতে প্রতি বছর যে ভিড় হয় এবার তার কিছুই নেই। করোনার কারনে এবার এসব যন্ত্রপাতি তৈরীতে ভাটা পড়েছে ।তাই কামার শিল্পীরা অলস সময় পার করছেন।

কোরবানীর ঈদে সমাজের বিত্তবানরা চেষ্টা করে তাদের সামর্থ অনুযাযায়ী পশু কোরবানী দেওয়ার। আর এই কোরবানীর পশুর মাংশ বানাতে প্রযয়োজন চাপাতি,ছুরি,দা বটিসহ বিভিন্ন অস্ত্রপাতির। সে কারনে পশু কোরবানীর চাপাতি,ছুরি,দা বটি বানাতে কর্মকারদের দোকানে যেতে হয় তাদের। বছরের অধিকাংশ সময় কাজ কম থাকলেও কোরবানির সময় ঠুংঠাং শব্দে ব্যস্ত সময় পার করে থাকেন কামাররা। কিন্তু অন্নান্য বছরের তুলনায় করোনা মহামারির কারনে কামার পল্লিতে এ বছর কাজ নেই বল্লেই চলে। অথচ বিগত বছর গুলোতে এসময় তাদের হাতে থাকে প্রচুর কাজ। দম ফেলানোর ফুরসত থাকে না।কোরবানীর পশু জবাইসহ মাংশ বানানোর কাজে ব্যবহৃত নানা ধরনের ছুরি, কোপা বানানোর কাজে ব্যস্ত থাকতেন তারা।এবছর তার ছিটে- ফোঁটাও দেখা যাচ্ছেনা। এখনো পর্যন্ত কাজের কোন চাপ পড়েনি কর্মকারদের। করোনার কারনে একদিকে যেমন গরুর হাট এখনো তেমন জমেনি, তেমনি কর্মকারদের কাজও তেমন একটা না হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থায় জেলায় কর্মরত কর্মকারেরা রয়েছেন দুশ্চিন্তায়। সারা বছর এই সময়টার জন্য তারা অপেক্ষা করে থাকেন। অথচ এবছর কাজের সময়টাতে তাদের হাতে কাজ নাই। এ সময়ের অতিরিক্ত আয় দিয়ে তারা কয়েক মাস কাজ না থাকলেও অসুবিধা হয়না।
রাজেন্দ্র মহন্ত ও দিলীপ কর্মকার বলেন, সারা বছর এই কোরবানির জন্য অপেক্ষা করে থাকি। বছরের অন্যান্য সময় আমরা কাচি,কোদালসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরী করে থাকি। কিন্তু কোরবানি এলে মাংশ কাটার অস্ত্রপাতি তৈরীর কাজ বেশী হয়। আমাদের আয়ও বেশী হয়। এবছর করোনার কারনে আমাদের কোন কাজ নেই।এখন আমরা কোন রকম ভাবে জীবন যাপন করছি। এখন আমরা কি খাবসেই চিন্তায় আছি।

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..