• বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন

চাঁদপুরে লক্ষ লক্ষ টাকার অবৈধ ঔষুধ বিক্রির দোকানে এনডিসি মাহবুবের হানা

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৯
  • ১২৭
স্টাফ রিপোর্টারঃ চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের মেসার্স দত্ত ট্রেডার্স কর্তৃক পরিচালিত সরকার অনুমোদিত ন্যায্যমূল্যের ঔষুধের দোকানে এনডিসি মাহবুবুর রহমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছেন।
২৭ আগষ্ট মঙ্গলবার বিকালে তিনি গোপন সূত্রে নানা অনিয়ম ও দুর্ণীতির অভিযোগ পেয়ে এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন বলে জানান।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়,এই মেসার্স দত্ত ট্রেডার্সের মালিক রামকৃষ্ণ দত্ত দীর্ঘদিন যাবৎ দিনরাত ২৪ ঘন্টা এই দোকান খোলা রেখে অবেধ উপায়ে ঔষুধ বিক্রি করতেন।শুধু তাই নয় তিনি সরকারের দেয়া বিনামূল্যে বিতরনের ঔষুধও অনৈতিক উপায়ে দুর্ণীতির মাধ্যমে এখানে বিক্রি করতেন।
সূত্রে আরো জানা যায়,এই দোকানে ৪/৫ জন কর্মচারী রয়েছেন।যারা রামকৃৃষ্ণকে এসব অনৈতিক উপায়ে ঔষুধ বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ কালো টাকা কামানোতে সহযোগিতা করছেন।শুধু তাই নয় এই দোকানের গোডাউনে রয়েছে আরো অনেক সরকারি ঔষুধ।যা হাসপাতাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়ে তিনি ঐ দোকানে রেখে ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
সূত্রে আরো জানা যায়,এই রামকৃষ্ণ তার নামের ১ লাইসেন্সে তিনি প্রভাব খাটিয়ে ২ দোকান পরিচালনা করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।হাসপাতাল ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করেই এই দোকানে তিনি গরম অসহনীয় ঔষুধও অনৈতিক উপায়ে টিনের চালার নীচে রেখে ব্যবসা করে আসছেন।এ ধরনের অভিযোগে অভিযান করছেন বলে সত্যতাও স্বীকার করেন অভিযানে আসা ঔষুধ তত্ত্বাবধায়ক মৌসুমী আক্তার।
তিনি বলেন,আমরা ৫ অভিযোগে এই দোকান কর্তৃপক্ষকে ২০ হাজার টাকা মেজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমান আদালতে অর্থদন্ড দিয়েছি।সেই সাথে এই দোকানের মালিককে এভাবে ব্যবসা পরিচালনা অব্যাহত রাখলে কঠোর আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছি।
এ ব্যপারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এনডিসি মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান,এই দোকানে অবৈধ উপায় অবলম্বন করে সরকারি ঔষুধ বিক্রি করা হচ্ছিলো।তাছাড়া তিনি ১ লাইসেন্সে ২ দোকান পরিচালনা করছিলো।তার ওপর ওনার সেই লাইসেন্সও মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ।তিনি টিন শেড দোকানে গরম অসহনীয় ঔষুধ রেখে পর্যন্ত বিক্রি করছিলো।যেসব ঔষুধ মানুষ খেলে তা শরীরের জন্য ব্যপক ক্ষতিকর।
তিনি আরো জানান,আমরা আজ এই দোকানের মালিককে সতর্ক করে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছি।সেই সাথে প্রায় ২৫ হাজার টাকা সমমূল্যের বিভিন্ন আইটেমের সরকারি ঔষুধ জব্দ করেছি।ওনাকে এই রকম অসাধু উপায় অবলম্বন করে ব্যবসা পরিচালনা না করার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশনা ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জ্বল হোসাইন,আনসার ব্যটিলিয়নের সদস্যবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..