• রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০৫:১০ অপরাহ্ন

ভোলায় ময়নাতদন্ত ছাড়া গৃহবধূর দাফন নিয়ে উত্তেজনা 

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৯
  • ১৯৫

কামরুজ্জামান শাহীন/বাংলারজমিন২৪

 

ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলার ইলিশা গুপ্তমুন্সি গ্রামের গৃহবধু জেসমিনের (২৫) মৃত্যু পর ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফন নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অভিযোগ উঠেছে, দুই সন্তানের জননী জেসমিনকে তার স্বামী পুলিশ সদস্য মাকসুদ হত্যা করেছে। পরে স্থানীয় প্রভাবশালীরা সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা দফারফা করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মাকসুদের দাবি তিনি তার স্ত্রীকে হত্যা করেননি। তার স্ত্রী জেসমিন আত্মহত্যা করেছে।

এলাকাসাবী সূত্রে জানা যায়, ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের গুপ্তমুন্সি গ্রামের সরদার বাড়ির নাছির হাওলাদারের মেয়ে জেসমিনের ১২ বছর আগে পার্শ্ববর্তী এলাকার পুলিশ সদস্য মো. মাকসুদের সাথে বিয়ে হয়। বর্তমানে এক মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে তারা ঢাকার মুগদায় বসবাস করছিল।

গত ১৮ আগস্ট রাতে জেসমিন ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়। প্রথমে মুগদা হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয় । গত শুক্রবার (২৩ আগস্ট) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শনিবার(২৪ আগস্ট) সকালে জেসমিনের লাশ ভোলায় আনা হলে এলাকার শত শত মানুষ ভিড় করে এবং তাদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে নিহতের স্বজনরা অভিযুক্ত মাকসুদকে মারধর করে।

স্থানীয় সালিশদার মানিক বাঘা বলেন, নিহত জেসমিনের পরিবারের অভিযোগ জেসমিনকে হত্যা করা হয়েছে। অপর দিকে ছেলে পক্ষের বক্তব্য জেসমিন নিজেই পেটে ছুরি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। লাশ দাফনের আগে এ নিয়ে সালিশ হয়। তাতে সিদ্বান্ত হয় নিহতের দুই সন্তানের নামে ৫ লাখ টাকা ডিপোজিট করা হবে। এছাড়াও ওই পুলিশের যে জমি রয়েছে তা অর্ধেক লিখে দিবে। এসময় মেয়ের চাচা ও ভাই এবং ছেলের চাচা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, লিখিত চুক্তিনামার ওই স্ট্যাম্পে হত্যা বা আত্মহত্যার কথা উল্লেখ না করে জেসমিন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। স্ট্যাম্পটি এখন তার কাছে রয়েছে বলেও তিনি জানান।
এব্যাপারে ভোলা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) সাফিন মাহামুদ বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে ৪/৫ দিন আগে ঢাকার মুগদা এলাকায়। তদন্ত সব ঢাকায় হবে। যদি অভিযোগ হয় ঢাকায় হবে। এখানে কিছু নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..