• মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ১২:৫৮ অপরাহ্ন

ফাঁদে পড়ে সেমন্তির আত্মহত্যা

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯
  • ২২০

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট/বাংলারজমিন২৪

 

বগুড়ার দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রী মায়িশা ফাহমিদা সেমন্তির (১৪) আত্মহত্যার ঘটনায় দুই যুবকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বাবা হাসানুল মাসফের রুমন মামলা করেছেন।

বুধবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারক মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেন আদালতে তিনি এ মামলা করেন। এরপর বিচারক বগুড়া সিআইডিকে আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, বগুড়া জেলার সদর থানার এলাকায় তৌহিদুল ইসলামের ছেলে আবির আহমেদ এবং একই এলাকার জিল্লুর রহমানের ছেলে শাহারিয়ার অন্তু। আসামিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নগ্ন ছবি ছেড়ে দেয়ার কারণে সেমন্তির আত্মহত্যা করেছেন মর্মে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ্ করা হয়, চলিত বছরের ১৮ জুন রাতে আসামি আবির আহমেদ বাদীর মোবাইল ফোনে জানায়, সেমন্তি আত্মহত্যা করতে পারেন। বাদী তাৎক্ষণিক তার মেয়েকে জিজ্ঞাসা করেলে সে জানায়, আবিরের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তার কুপরামর্শে সেমন্তি মোবাইলে কিছু নগ্ন ছবি তোলে। যা সেমন্তির মোবাইল থেকে আবির তার মোবাইলে নিয়ে নেয়। যার মধ্যে একটি ছবি শাহরিয়ার অন্তুর নিকট আবির পাঠায়। পরে দুইজন মিলে ছবিগুলো ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়। বাদী ঘটনা শুনে মেয়েকে সন্তনা দিলেও ওইদিন রাতের যে কোন সময় সেমন্তি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেন।

ঘটনার রাতে আবির ও অন্তু সেমন্তির সঙ্গে ৯১ বার মোবাইল ফোনে কথা বলেন। যা প্রমান করে আসামিরা ভিকটিমকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেন।

এছাড়া সেমন্তি মারা যাওয়ার পর আসামি আবির গত ২১ জুন রাতে মামলার দুই নম্বর সাক্ষী জান্নাতুল ফেরদৌসের কাছে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে সেমন্তির নগ্ন ছবি পাঠায়। সেমন্তির নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়ে দরখাস্থাকারী পরিবার ও তার মেয়ের সম্মান ক্ষুন্ন করিয়াছে। আসামিদ্বয় মানসম্মনক্ষুন্ন ও মানসিক বিপর্যস্থ হয়ে আত্মহত্যা করিতে বাধ্য হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..