• বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:৫১ অপরাহ্ন

১৮ দিন বন্ধ থাকার পর আজ বুধবার গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় খুলেছে

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৩৬ বার পঠিত

১৮ দিন বন্ধ থাকার পর আজ বুধবার গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় খুলেছে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
১৮ দিন বন্ধ থাকার পর আজ বুধবার গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় খুলেছে। সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আসতে শুরু করেছে। যথারীতি ক্লাস ও চলছে। তবে, ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত উপাচায্য অধ্যাপক ড. মোঃ শাহজাহান। শিক্ষা মন্ত্রনালয় গত ৭ অক্টোবর রাতে অধ্যাপক ড. শাহজাহানকে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এর পর তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।আজ তিনি বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদেও সাথে সভা করেছেন।এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীগণ তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারীতা, নারী কেলেঙ্কালী, স্বৈরনীতি ও কথায় কথায় অনৈতিক বহিষ্কারসহ বিভিন্ন দাবীতে তাঁর পদত্যাগের এক দফা দাবীতে আন্দোলন শুরু করে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেন এবং ওই দিন সকাল ১০ টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেন।
কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত না মেনে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগের এক দফা দাবীতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দেন। তখন সাবেক উপাচার্য ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের মদদে বহিরাহতরা শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায়। এতে ছাত্র-ছাত্রীসহ অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর ভিসি’র পদত্যাগ আন্দোলন আরো তীব্র থেকে তীব্র হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা নিয়ে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর ইউজিসি কর্তৃক গঠিত তদন্ত টিম গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তদন্তে আসেন। ২৯ সেপেটম্বর ইউজিসি তদন্ত টিম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনকে অপসারণের সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করেন।
২৯ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলনের ১২-তম দিনে রাতের বেলা উপাচার্য ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন কঠোর পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন এবং ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দেন।
১ আক্টোবর শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলন করে চলমান আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেন। এরপর থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ছাড়তে শুরু করে।

#সলিল বিশ্বাস মিঠু,

Facebook Comments

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..